গ্রামের ছেলেকেই চাই, তাই পাশেরগ্রাম থেকে আগত তৃণমূল প্রার্থীর বিরুদ্ধে এলাকাবাসীর নির্দল প্রার্থী , লড়াই সিপিএম এবং বিজেপির সাথেও

মলয় দে নদীয়া :- আসন্ন পঞ্চায়েত নির্বাচনে তৃণমূল প্রার্থীর মনোনয়ন গ্রামের মানুষদের আলোচনার ভিত্তিতে, একথা শোনা গেলেও বাস্তবে তার অন্য চেহারা। নদীয়ার শান্তিপুর বাথনা কদমপুর ৫৭ নম্বর বুথে তৃণমূলের প্রার্থী করা হয়েছে পাশের ৫৬ নম্বর বুথ থেকে, আর সেই কারণেই গ্রামের মানুষের সিদ্ধান্ত তাদের প্রতিনিধি দাঁড়াবেন নির্দলে। পেশায় মোবাইলের দোকানদার রাজু বিশ্বাস কে তারা দাঁড় করায় নাঙ্গল চিহ্নে। বিজেপি তৃণমূল সিপিআইএম সব রকম রাজনৈতিক দলের সাথেই প্রতিযোগিতা হবে রাজুর, তবে এলাকার মানুষের দাবি মানুষই শেষ কথা বলবে, এমনই বিশ্বাস প্রার্থী রাজু বিশ্বাসের। পাশেই প্রাক্তন পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি রিনা প্রামাণিক এবং তার স্বামী গোরাচাঁদ প্রামানিক তৃণমূল কংগ্রেসের অঞ্চল সভাপতির বাড়ি, তাই লড়াইটা যে খুব সহজ নয় তা মানলেন তিনি নিজেও, তবে ভরসা একটাই সাধারণ মানুষ যখন তাকে প্রার্থী হিসেবে দাঁড় করাতে চেয়েছে জেতানোর তাদের দায়িত্বও তাদেরই।
তবে যদি জয়লাভ হয়, তাহলে কি তৃণমূলে যোগদান! এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন পরিস্থিতি অনুযায়ী সকলের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামীতে দেখা যাবে। গ্রামে তাকে ভোট দেওয়ার আবেদন জানালেও পঞ্চায়েত সমিতি জেলা পরিষদে এলাকাবাসীরা তাদের নিজে নিজে পছন্দ অনুযায়ী ভোট দিতে পারবে সেক্ষেত্রে প্রার্থী রাজু বিশ্বাস কোনো আবেদন জানাচ্ছেন না। শুধুমাত্র একটাই আবেদন গ্রামের অন্যান্য স্বার্থে জয়ী করতে হবে গ্রামের প্রার্থীকেই।
হেভি ওয়েট নেতৃত্ব নেই flex ব্যানার প্রচারের আরম্ভড়তা নেই, এলাকা থেকে চাঁদা তুলে সামান্য কয়েকটি মাটির দেওয়ালে ভুষোকালি গুলে চলছে দেওয়াল লিখন। আমাদের ক্যামেরায় ধরা পড়লো, এমনই চিত্র।
প্রতিবেশী মা কাকিমা জেঠিমারাই দিনের কাজ সেরে বিকালে অন্যান্য মহিলাদের আবেদন জানাচ্ছেন রাজু কে জেতানোর জন্য।
অন্যদিকে কৃষক এলাকায় নাঙ্গল চিহ্ন হওয়ায় খুশি, প্রবীণরাও। গ্রামের যুবক প্রার্থী হওয়ায়, এ প্রজন্মের ছেলে মেয়েরাও তাদের নিজেদের মতন করে প্রচার চালাচ্ছেন গ্রামের ছেলে রাজুর হয়ে।
আরম্ভড়তা বিহীন আন্তরিক এবং আবেগপূর্ণ প্রচার কতটুকু সফল হল তা জানতে গেলে প্রতীক্ষা করতে হবে আরো কিছুদিন।