মলয় দে নদীয়া :- প্রথমে ২২ জেলার পঞ্চায়েত নির্বাচনে ২২ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী চেয়েছিল রাজ্য নির্বাচন কমিশন। তারপর তা নিয়ে বিরোধীরা মামলা করে কলকাতা হাইকোর্টে। প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম নির্দেশ দিয়েছিলেন, ২০১৩ সালের থেকে কম বাহিনী মোতায়েন করা যাবে না। রাজ্য নির্বাচন কমিশন ৮০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী চায়।
কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশ মতো নির্ধারিত সময়েই কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে পদক্ষেপ করল রাজ্য নির্বাচন কমিশন। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের কাছে ৮০০ কোম্পানি আধাসেনা চেয়ে আবেদন করেছে রাজ্য নির্বাচন কমিশন। প্রথম দফায় প্রত্যেক জেলার জন্য এক কোম্পানি হিসেবে মোট ২২ কোম্পানি বাহিনী চাওয়া হয়েছে। সবমিলিয়ে এই পঞ্চায়েত নির্বাচনে মোট ৮২২ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী আসতে চলেছে। তবে প্রথম দফায় ৩১৫ কোম্পানি বাহিনী বরাদ্দ করে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক।
নদীয়া জেলার রানাঘাট মহুকুমায় এক কোম্পানি সেন্ট্রাল পুলিশ ফোর্স এসে পৌঁছায় গতকাল সেই মতো হবিবপুরে তারা একটি রূমার্চ করে।
আজ শান্তিপুর থানার উদ্যোগে তাদের সাথে একটি যৌথ রূটমার্চ হয় স্পর্শকাতর পঞ্চায়েত এলাকাগুলিতে।
প্রথমে বাবলা পঞ্চায়েতের বাইপাস সংলগ্ন সর্দার পাড়াতে, যেখানে গত ২০১৮ সালের পঞ্চায়েত নির্বাচনে অশান্তির জেরে বলি হয় এক দলীয় কর্মী। পরবর্তী হরিপুর পঞ্চায়েতের অন্তর্গত মেলের মাঠ অঞ্চলে। সেখানেও গত পঞ্চায়েতে অশান্তিতে যথেষ্ট দুশ্চিন্তায় ছিলো প্রশাসন। ভোট পরবর্তী সময়ে একাধিকবার সাহেব এলাকায় ব্যাপক বোমাবাজি উঠে এসেছিল সংবাদ মাধ্যমে। যা সামলাতে হিমশিম খেয়েছিলো পুলিশ। আজ সেখানেও বুটের শব্দ সাবধানতার নির্দেশ দিলো দুষ্কৃতীদের।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বিকালে গয়েশপুরের টেংরিডাঙ্গা মেদিয়াপাড়া সহ বেশ কয়েকটি জায়গায় হতে চলেছে এই রুট মার্চ। তবে প্রত্যেক ক্ষেত্রেই সাধারণ ভোটার দের গণতান্ত্রিক ভোটাধিকার প্রয়োগে আশ্বাস এবং দুশ্চিন্তা মুক্ত করেন শান্তিপুর থানার ওসি সুব্রত মালাকার। তিনি একাধিক জায়গায় তার এবং থানার ফোন নাম্বার দেন। যেকোনো পরিস্থিতিতে হিংসা অশান্তি প্ররোচনামূলক রাজনৈতিক বা অরাজনৈতিক ঘটনার জন্য যোগাযোগ করতে বলেন।

