মলয় দে নদীয়া:-
গত ৯ জুন থেকে শুরু হয়েছে পঞ্চায়েত নির্বাচনের মনোনয়ন সংক্রান্ত নানান কার্যক্রম। এখনো পর্যন্ত আগামীকাল অর্থাৎ ১৫ ই জুন মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ তারিখ বলে জানা গেছে।
একেবারে একেবারে শেষের দিকে কেনো, তৃণমূলের পক্ষ থেকে জানানো হয়, বিরোধীদের অগ্রাধিকার দেওয়ার জন্যই এমন সিদ্ধান্ত। যদিও, বিরোধীদের দাবি শাসকদলের তালিকা প্রকাশ হওয়ার সাথে সাথেই বিরোধী বিভিন্ন দলে যোগদানের হিড়িক চলবে, তাই প্রকাশ্যে না এনে এবং নিজেদের মধ্যে গোষ্ঠী কোন্দলের কারণে , তৃণমূলের পক্ষ থেকেই এক একটি জায়গায় চার-পাঁচটি করে মনোনয়ন জমা করেছে যা আগামীতে বোঝা যাবে।
শান্তিপুর ব্লক থেকে জেলা পরিষদের প্রার্থী হিসেবে, ২০১৮ পঞ্চায়েত নির্বাচনের মতই প্রাক্তন সভাধিপতি রিক্তা কুণ্ডু, এবং পম্পা মুখার্জি, মনোনয়ন জমা করেছেন, নতুন মুখ হিসাবে, বাবলা অঞ্চলের 2013 সালের প্রধান বাসন্তী সরকার জেলা পরিষদের প্রার্থীর মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন । তবে দীর্ঘদিনের জেলা পরিষদের সদস্য নিমাই চন্দ্র বিশ্বাস, আসন সংরক্ষণের সমস্যায় এখনো পর্যন্ত মনোনয়ন জমা করতে পারেননি।
অন্যদিকে ২৯ টি পঞ্চায়েত সমিতির মধ্যে, নতুন মুখ হিসাবে প্রিয়া সরকার গোস্বামী প্রার্থীপদ জমা করেছেন। অন্যদিকে বিদায়ী পঞ্চায়েত সমিতির বোর্ডে কৃষি কর্মধক্ষ তথা বর্তমান শান্তিপুর ব্লক বি তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি সুব্রত সরকারকে প্রার্থীপদ জমা করতে দেখা যায়নি এখনো পর্যন্ত।
বাবলা পঞ্চায়েতের প্রধান উন্নতি সর্দারক প্রার্থীপদ জমা করতে দেখা যায়নি।
বেশিরভাগ ক্ষেত্রে পঞ্চায়েত প্রধান উপপ্রধান পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য,পুরাতন মেম্বাররা হলেও বেশ কিছু নতুন মুখ যোগ হয়েছে এবারে। এ প্রসঙ্গে তৃণমূলের নদীয়া জেলার সাধারণ সম্পাদক তপন সরকার বলেন, প্রথমত কর্মীরা সিদ্ধান্ত নিয়েছেন দ্বিতীয়ত দলীয় উচ্চ নেতৃত্ব তা খতিয়ে দেখে তবেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এটা তৃণমূল কংগ্রেস এখানে যার যেটা দায়িত্ব তাকে সেটা পালন করতে হয়, তবে মনোনয়ন নিয়ে কোনরকম অসন্তোষ হয়নি বলেই তিনি জানিয়েছেন।

