আঁখের উৎপাদন ভালোই! মিষ্টি ফসল ঘরে তুলতে ব্যস্ত কৃষকরা

মলয় দে নদীয়া :- বছরে তিনবার আখ লাগাতে দেখা যায়, তবে যখনই লাগানো হোক এক বছর বাদে ঘরে ওঠে ফসল। গতবছর শ্রাবণ মাসে চারা লাগিয়েছিলেন যে কৃষকরা, এখন তারাই ব্যস্ত চাষের জমি থেকে আঁখ কেটে বিক্রির ব্যবস্থা করতে। তবে অনেক কৃষকরাই বিক্রির উদ্দেশ্যে নিয়ে যাওয়ার ঝামেলা, এবং দাম হ্রাসবৃদ্ধির কারণে অহেতুক ঝুঁকি না নিয়ে ইদানিং মাঠের জমিতেই বিঘা হিসেবে বেঁচে দেন। ত্রিশ পঁয়ত্রিশ হাজার টাকা মূল্যপান এক্ষেত্রে। নদীয়ার শান্তিপুর বাবলা পঞ্চায়েতের করমচা পুরের বাসিন্দা নিখিল সরকার জানান তার মতন অনেক ব্যবসায়ী শান্তিপুরের সাহেব ডাঙ্গা, মোল্লাবেড়, গয়েশপুর, টেংরি ডাঙ্গা এবং গঙ্গার তীরবর্তী বেশকিছু চর এলাকা থেকে জমিতেই আঁখ কেটে নিয়ে যান বীরভূম বাঁকুড়া বা অন্যান্য জেলায়। তবে পেট্রোলের মূল্য বৃদ্ধি হওয়ার কারণে, এ ধরনের ব্যবসায় আগ্রহীর সংখ্যা কমছে ধীরে ধীরে। তবে জবা খুখশি বা দেশি আখের রস হিসেবে বা ছাড়িয়ে খেতে অত্যন্ত সুস্বাদু। তাই গ্রামবাংলায় এর চাহিদা বেশি। গান্ধারী বা সামসারা জাতীয় আখ দেখতে সুন্দর! তবে মিষ্টির পরিমাণ একটু কম, তাই শহরাঞ্চলে রস করে খাওয়ার প্রবণতা বেশি।
তবে চিনিকলে যে প্রজাতির আঁখ লাভজনক হয় তা বেথুয়াডহরি কৃষ্ণগঞ্জ করিমপুরে চাষ হতে দেখা যায়।