অমৃত ভারত প্রকল্পে আন্তর্জাতিক মানের অত্যাধুনিক সিটি সেন্টারে পরিণত হতে চলেছে শান্তিপুর সহ নদীয়ার চারটি রেলওয়ে স্টেশন , ভার্চুয়াল উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী

মলয় দে নদীয়া:-
গত বছরে ভারতের স্বাধীনতার ৭৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে কেন্দ্রীয় সরকার অমৃত মহোৎসব নামে এক কর্মসূচি গ্রহণ করেছিলো। যাতে সামিল হয়েছিল ভারতীয় রেলও। রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব, সারাদেশে ১৩০৯ টি রেলওয়ে স্টেশন কে চিহ্নিতকরণ করেন, পুনর্নির্বাণ করে অত্যাধুনিক আন্তর্জাতিক মানের সিটি সেন্টারে পরিণত করার উদ্দেশ্যে। এর মধ্যে বাংলার ৯৮ টি রেলস্টেশন আছে।
সারা দেশে ২৭ টি রাজ্যে মোট পাঁচশো আটটি রেলওয়ে স্টেশন যা বাংলায় ৩৭ টি এবং নদীয়ায় বেথুয়া ডহরি, কৃষ্ণনগর সিটি, নবদ্বীপ ধাম এবং শান্তিপুর আজ ভার্চুয়াল ভাবে সকাল 11 টায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী উদ্বোধন করেন। সামগ্রিক কাজের জন্য ব্যয় বরাদ্দ করা হয়েছে ২৪৪৭০ কোটি টাকারও বেশি অর্থমূল্য।
রেল সূত্রে জানা গেছে, বিশ্বমানের এই রেলওয়ে স্টেশনগুলিতে থাকছে ফুট ওভারব্রিজ ছাড়াও এস্কেলেটর, সমগ্র স্টেশন চত্বর ফাইভ-জি ফ্রি ওয়াইফাই জোন এবং বেশ কিছু বড় আকৃতির এলইডি স্ক্রিন, দূরপাল্লা এবং লোকাল ট্রেনের টিকিট কাউন্টার থাকলেও স্বয়ংক্রিয় ভেন্ডিং মেশিন বাড়ছে আরো বেশকিছু। রেল স্টেশনের সমস্ত জমি কাজে লাগিয়ে দ্বিতলে প্রচুর সংখ্যক দোকান নির্মিত হবে, যা স্থানীয়ভাবে কিছুটা কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে বলে মনে করছেন অনেকে। স্টেশনে আশা এবং যাওয়ার জন্য বিভিন্ন যানবাহন পার্কিং, প্রয়োজন মাফিক আন্ডার পাস, যাত্রী সুরক্ষার বিভিন্ন অফিস এবং প্রাথমিক চিকিৎসা সহ , বিনোদন, শিশুদের বিশেষ প্রতীক্ষালয়, দিব্যাঙ্গদের বিশেষ ব্যবস্থা এই সবই নির্মাণ হতে চলেছে আজকের পর থেকে তবে, এটি একটি দীর্ঘ মেয়াদী পরিকল্পনা।
তবে এই উপলক্ষে আজ সকাল থেকেই রব নদীয়ার বেথুয়া কৃষ্ণনগর সিটি নবদ্বীপ ধাম এবং শান্তিপুর রেলওয়ে স্টেশন চত্বর। স্থানীয় স্তরের বিভিন্ন স্কুলের খুদে পড়ুয়ারা, ডাক পেয়েছে তাদের আবেগের রেলওয়ে স্টেশন সম্পর্কিত ছবি আঁকা ও প্রবন্ধ লেখার জন্য। নাচ গান আবৃত্তি সহ বিভিন্ন সংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে এই অনুষ্ঠানের সূচনা হয় সকাল ন’টাতে। উপস্থিত ছিলেন পূর্ব রেলওয়ে বিভিন্ন আধিকারিক, সাংসদ সাত জগন্নাথ সরকার, রেল যাত্রী সমিতির প্রতিনিধি, আরপিএফ এবং জিআরপির কর্তৃপক্ষ সহ, স্টেশন মাস্টার বিভিন্ন রেল কর্মীগণ।