শালকুমার হাট এক নং গ্রাম পঞ্চায়েতের 12/03 নং বুথের আইসিডিএস 10 নং সেন্টারে খাদ্যের পরিমাণ সঠিক ভাবে না দেওয়ার জন্য বিক্ষোভ দেখান ওই এলাকাবাসী মায়েরা। মায়েদের অভিযোগ আমাদের বাচ্চাকাচ্চাকে আমরা এখানে নিয়ে আসি কখনো কোনদিন এই সেন্টারের ম্যাডাম আমাদের বাচ্চাদের পড়াশোনা করায়নি। এর আগে যে ম্যাডাম এই সেন্টারে দায়িত্বে ছিলেন তিনি আমাদের বাচ্চাদের পড়াশোনা করিয়েছিলেন। কিন্তু বর্তমান যিনি এই সেন্টারের দায়িত্বে রয়েছেন বিভা বিশ্বাস সরকার কখনো কোনদিনও আমাদের বাচ্চা দের পড়াশোনাও করায়নি এবং সঠিকভাবে খাদ্যের পরিমাণও দেয় না। আমরা যদি জানতে চাই, আমাদেরকে কোন সদ উত্তর দেয় না। যিনি এখানে রান্না করেন প্রতিমা অধিকারী রায় তিনি আসেন রান্না করেন আমাদের বাচ্চাদের টিফিনে খাবার দিয়ে সময় মত সেন্টার থেকে বেরিয়ে চলে যান।এদিকে আবার যেদিন করে চাল ও ছাতু দেওয়া হয় ঠিক সেই দিন করে ওই বিভা বিশ্বাস সরকারকে এই আই সি ডি এস সেন্টারে দেখতে পাওয়া যায়। এছাড়া কখনো কোনদিনও এই সেন্টারে ওই বিভা বিশ্বাস সরকারকে দেখতে পাওয়া যায় না। ওই এলাকাবাসী চোখে ধুলো দিয়ে বিভা বিশ্বাস সরকার আইসিডিএস সেন্টার চালিয়ে যাচ্ছেন। আইসিডিএস কর্মী প্রতিমা অধিকারী রায়ের কাছে জানতে চাইলে প্রতিমা অধিকারী রায় বলেন আমাকে যেভাবে রান্না করতে বলে,যে জিনিস আমার কাছে পাঠিয়ে দেয় আমি অনুরূপভাবে রান্না করে এই এলাকার গর্ভবতী মায়েদের ও বাচ্চাদের দিয়ে দেই। attentence সম্পর্কে জানতে চাইলে প্রতিমা অধিকারী রায় বলেন আমি এখান থেকে ফোন করে দেই কতজন মা ও বাচ্চা আসছে উনি বাড়িতে বসেই অ্যাটেনডেন্স করেন। ওই এলাকার পঞ্চায়েত আশরাফুল হককে আই সি ডি এস সেন্টারের সম্পর্কে জানতে চাইলে উনি পরিষ্কার ভাষায় বলেন আমি জানি ভালোভাবেই এই সেন্টার চলছে। কিন্তু এলাকাবাসী আমাকে অভিযোগ করে যে সেন্টার ভালোভাবে চলছে না। তাই আজকে এসে দেখি সত্যিকারে এই সেন্টারে দায়িত্বে থাকা বিভা বিশ্বাস সরকার নেই ।যে রান্না করে তার কাছ থেকে শুনতে পাই সে নাকি বাড়িতে বসেই এখানকার মায়েদের ও বাচ্চাদের নাম এন্ট্রি করে তাই আমি প্রধান থেকে শুরু করে ব্লক লেভেল পর্যন্ত এই ব্যাপারটা সম্পূর্ণভাবে জানাবো। অপরদিকে ওই আইসিডিএস সেন্টার থেকে বিভা বিশ্বাস সরকারের মোবাইল ফোন নাম্বারে যোগাযোগ করলে তার স্বামী বলেন, এখন উনি বাড়িতে নেই কিন্তু দু মিনিট পর ওই আই সি ডি এস সেন্টারের কর্মী প্রতিমা অধিকারী রায়ের দ্বারা ফোন করলে ফোন রিসিভ করে কথা বলেন। এরপর যাওয়া হয় বিভা বিশ্বাস সরকারের বাড়িতে সেখানে গিয়ে প্রায় ঘন্টাখানেক দাঁড়িয়ে থাকা হয় বিভা বিশ্বাস সরকারের সঙ্গে কথা বলার জন্য। কিন্তু তার স্বামী বলেন উনি বাড়িতে নেই। বিভা বিশ্বাস সরকারের স্বামীর সঙ্গে কথা বলা হয় বিভা বিশ্বাস সরকারের স্বামী বলেন আমি এ ব্যাপারে কিছু বলতে পারব না।কিন্তু বাইরে ঘন্টাখানেক দাঁড়িয়ে রাখার কি মানে হলো সেটাও কিন্তু ধোসার মধ্যে রয়ে গেল। সত্যি কি তাহলে বিভা বিশ্বাস সরকারের কোন দুর্বলতা রয়েছে প্রশ্ন কিন্তু রয়ে গেল। শালকুমার থেকে মনোরঞ্জন রায়ের রিপোর্ট।

