হরিশ্চন্দ্রপুর,১৮ডিসেম্বর: সামনে এলো অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের বেহাল দশা। খিচুড়িতে মাছি পড়ার অভিযোগে গরম খিচুড়ি রাস্তায় ঢেলে বিক্ষোভ অভিভাবকদের।খোলা আকাশের নিচেই চলছে ওই অঙ্গনওয়াড়ি সেন্টার।ওই সেন্টারের কর্মী অসুস্থতা জনিত কারণে তিন মাস ধরে রয়েছেন ছুটিতে। অন্য এক কেন্দ্রের কর্মীর উপর অতিরিক্ত দায়িত্ব থাকলেও তিনি আসেন না। তার ছেলে এবং ছেলের বৌমা এসে চালান সেন্টার। ফলে নিয়মিত খোলে না সেন্টার। এমনকি সেন্টারে নেই রাঁধুনি।মাসে ৩০০ টাকা মজুরির বিনিময়ে এক রাধুনিকে রাখা হয়েছে।খাবারেও দীর্ঘদিন ধরে চলছে বেনিয়ম।এদিন ধৈর্যের বাঁধ ভাঙে অভিভাবকদের। সমগ্র ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য। মালদার হরিশ্চন্দ্রপুর ১ নম্বর ব্লকের রশিদাবাদ গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত খোসালপুর অঙ্গনওয়াড়ি সেন্টারের এই বেহাল দশা সামনে এসেছে। জানা গেছে ওই সেন্টারের কর্মী শোভা খাতুন দীর্ঘ তিন মাস ধরে আসছেন না। অসুস্থতার কারণে তিনি ছুটিতে রয়েছেন। তার বদলে অন্য এক সেন্টারের কর্মী শকুন্তলা দাস কে এই সেন্টারের অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। কিন্তু তিনিও আসেন না সেন্টারে। বদলে তার ছেলে প্রণব দাস এবং বৌমা এসে সেন্টার চালান। নিয়মিত ভাবে খোলে না সেন্টার। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী দেওয়া হয় না খাবার। যে খাবার দেওয়া হয় সেটাও অত্যন্ত নিম্নমানের। অভিভাবকরা অভিযোগ জানাতে গেলে করা হচ্ছে দুর্ব্যবহার। এদিকে এই কেন্দ্রে সরকারি ভাবে নেই রাঁধুনি। মাসে ৩০০ টাকা ভাড়া দিয়ে স্থানীয় এক মহিলা তার বাড়িতেই রান্নার কাজ করেন। এমনকি শোভা খাতুন যে সময় সেন্টারে ছিলেন সেই সময় খাবারে বেনিয়ম নিয়ে এক অভিভাবিকা অভিযোগ করতে গেলে তার শিশুর পায়ে গরম খিচুড়ি ঢেলে দেওয়া হয়েছিল বলে অভিভাবিকারা জানিয়েছেন। দীর্ঘদিন ধরেই এই সেন্টার নিয়ে ক্ষোভ জমছিল অভিভাবকদের মধ্যে।সোমবার দিন খিচুড়ি তে মাছি এবং খিচুড়ির সঙ্গে বাঁশি ভাত মেসানো দেখে ক্ষোভের বিস্ফোরণ ঘটে।গরম খিচুড়ি রাস্তায় ঢেলে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন তারা।অঙ্গনিওয়ারি কর্মীদের শাস্তির দাবিও উঠেছে।

