স্বাস্থ্য সাথী কার্ড ফেরালে বা মুমূর্ষু রোগীকে ভর্তি করতে না চাইলে বেসরকারি হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের সুপারিশ অভিষেক বন্দোপাধ্যায়ের
স্বাস্থ্য সাথী কার্ড ফেরালে বা মুমূর্ষু রোগীকে ভর্তি করতে না চাইলে বেসরকারি হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের সুপারিশ করলেন ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ তথা সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ।
প্রশাসনিক বৈঠকের পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে অভিষেক বলেন, ‘স্বাস্থ্য সাথী কার্ড সংক্রান্ত অনেকগুলো অভিযোগ এসেছে। কিছু হাসপাতাল স্বাস্থ্য সাথী কার্ডের মাধ্যমে রোগী ভর্তি নিচ্ছে না। ফিরিয়ে দিচ্ছে। মুমূর্ষু রোগীকেও বেড দিতে চাইছে না। সেই কারণে এদিনের প্রশাসনিক রিভিউ মিটিংয়ে কঠোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। স্থির হয়েছে, যাদের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ উঠছে, সেই সব বেসরকারি হাসপাতালের ম্যানেজমেন্টের
সঙ্গে প্রশাসনিক কর্তারা কথা বলবেন। ভবিষ্যতে যাতে এরকম না হয় তা নিশ্চিত করার চেষ্টা করবেন’।
অভিষেক এদিন যে সমস্যার কথা বলেছেন, তা কেবল বিক্ষিপ্ত ভাবে ডায়মন্ড হারবারের সমস্যা নয়। স্বাস্থ্য সাথী কার্ড থাকা সত্ত্বেও রোগী ফিরিয়ে দেওয়ার অভিযোগ বিস্তর। খাস কলকাতাতেই এমন ঘটনার নজির রয়েছে। আর পাঁচটা বেসরকারি মেডিকেল ইনসিওরেন্সের সংস্থার ‘ক্যাশ লেস’ ব্যবস্থার মতো যেহেতু এই প্রকল্প নয়, তাই একাংশ বেসরকারি হাসপাতাল উত্সাহ দেখায় না। আবার বেসরকারি হাসপাতালের অনেকের অভিযোগ, স্বাস্থ্য সাথী কার্ডে যে কভারেজের কথা বলা হয়েছে, তা পর্যাপ্ত নয়। তাতে খরচ ওঠে না।
সরকারের দিক থেকেও এর পাল্টা যুক্তি রয়েছে। বাংলায় বেসরকারি হাসপাতালগুলির মধ্যে অনেকেই জমি বা পরিকাঠামো বাবদ সরকারের থেকে নানা সুবিধা অতীতে পেয়েছে। বিনামূল্য প্রতি মাসে বা বছরে নির্দিষ্ট সংখ্যক গরিব মানুষকে পরিষেবা দেওয়ার জন্য সেই কারণেই কিছু হাসপাতাল দায়বদ্ধ।

