সামাজিক মাধ্যমে ভর করেই, দুর্ঘটনায় গুরুতর জখম দীর্ঘক্ষণ অচৈতন্য থাকা মহিলার, পরিবারের খোঁজ

মলয় দে নদীয়া :- আজ সকাল আনুমানিক এগারোটা নাগাদ নদীয়ার শান্তিপুর শহরের রামনগর মাঠ এলাকায় পঞ্চাশোর্ধ এক মহিলা রাস্তা পার হতে গিয়ে টোটোর ধাক্কায়, রাস্তায় পড়ে গিয়ে গুরুতর চোট লাগে মাথায় তিনি জ্ঞান হারান। ওই টোটো চালক অবশ্য না থেমেই পালিয়ে যান। ওই এলাকায় একটি চায়ের দোকানে থাকা স্থানীয় এক যুবক বাপ্পা বিশ্বাস সাথে সাথে শান্তিপুর স্টেট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে এসে ভর্তি করান। কিন্তু অজ্ঞাত পরিচিত ওই মহিলার কাছে এমন কোন প্রমাণ নেই যাতে তার পরিচয় পাওয়া যায়। চৈতন্য থাকার কারণে তার নাম পরিচয় জানা সম্ভব হয়নি। বেশ কিছু সহৃদয় মানুষজন তারা সোশ্যাল মিডিয়ায় বিষয়টি পোস্ট করেন, এবং আমাদের খবরের সাথে সম্প্রসারিত হওয়ার পর তা দেখে প্রায় দু ঘন্টা বাদে পরিবারের পক্ষ থেকে শান্তিপুর স্টেট জেনারেল হাসপাতালে পৌঁছায়, এবং কৃষ্ণনগর জেলা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করেন। যদিও ওই মহিলার শারীরিক পরিস্থিতি স্থিতিশীল নয়, তখনও সংজ্ঞাহীন অবস্থায় ছিলেন তিনি। পরিবার সূত্রে জানা যায় ওই মহিলার নাম রাধারানী বিশ্বাস বয়স আনুমানিক ৫৫ বছর স্বামী আনন্দ বিশ্বাস শান্তিপুর বেলঘড়িয়া ২ নম্বর পঞ্চায়েতের এলাকায় গবার চর এলাকায় বাড়ি। তিনি পরিচায়িকার কাজ করেন, আজ রামনগর মাঠ এলাকায় কাজের মাইনে আনতে যাচ্ছিলেন। সেখানেই টোটো থেকে নেমে রাস্তা পার হওয়ার সময়, উল্টো দিক থেকে প্রচন্ড গতিতে একটি টোটো এসে ধাক্কা মারে তাকে। ইতিমধ্যেই হাসপাতালে বেশ কয়েকবার রক্তবমি করেন তিনি।
তবে পরিবার পৌছানোর আগেই, দীর্ঘ দু’ঘণ্টা প্রতীক্ষায় থাকার সময়ের মধ্যেই শান্তিপুর থানার ওসি সুব্রত মালাকার হাসপাতালের ডিউটি করার সিভিক মিঠুন দাস এবং কনস্টেবলকে দিয়ে ওই রোগীকে জেলা হাসপাতালের ভর্তির সমস্ত ব্যবস্থা করেছিলেন। তবে বিলম্বে হলেও পরিবার এসে পৌঁছানোর কারনে শেষমেষ তারাই অচৈতন্য ওই মহিলাকে নিয়ে কৃষ্ণনগর জেলা হাসপাতালে পৌঁছান। সেখানে ইতিমধ্যে তার চিকিৎসা শুরু হয়েছে।