মলয় দে নদীয়া :- আজ রানাঘাট তপশলী কেন্দ্রের সাংসদ জগন্নাথ সরকার, এক বিস্ফোরক মন্তব্য করেন পুলিশ প্রশাসনকে ধিক্কার জানিয়ে।
তিনি বলেন এর আগে আমরা ফুলিয়া সহ বিভিন্ন অঞ্চলে পুলিশকে তৃণমূলের দলদাস হিসেবে কাজ করতে দেখেছি। তবে সব কিছুর মাত্রা ছাড়িয়েছে গতকাল। সাংবাদিকদের একটি whatsapp গ্রুপে শান্তিপুর থানার ওসি সুব্রত মালাকার, রানাঘাট দক্ষিণ জেলার তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি দেবাশীষ গাঙ্গুলীর একটি ভিডিও পোস্ট করে তা সার্কুলেট করার অনুরোধ জানান।
ওই ভিডিওতে দেবাশীষ গাঙ্গুলী তার দলীয় কর্মী সমর্থকদের উদ্দেশ্যে বলেছেন, দল যেখানে অনুমতি দেয়নি অথচ কর্মীরা কোথাও তৃণমূল কংগ্রেসের নাম দিয়ে কোথাও বা তৃণমূল কংগ্রেসের প্রভাব পরিচয় কাজে লাগিয়ে প্রার্থী হয়েছেন তাদের প্রার্থী প্রত্যাহারের অনুরোধ, অন্যথায় দলীয় ব্যবস্থা গ্রহণের সিদ্ধান্ত।
সংসদ জগন্নাথ সরকারের অভিযোগ, তাদের দলীয় কর্মী সমর্থকদের কেউ আক্রান্ত হলে কখনো ন্যূনতম অভিযোগ পত্র জমা নেওয়া হয় না, এসপি কে বলে যদিও বা অভিযোগপত্র জমা দেওয়া হয় তাতেও কোনো ভ্রুক্ষেপ করেন না তারা। অথচ তৃণমূল দলের প্রচারক হিসাবে জেলা সভাপতি বক্তব্য খবর প্রকাশের জন্য তার এত দরদ। আসলে খাঁকি পোশাকটা শুধুমাত্র, মানুষকে ভয় দেখানোর জন্য, আদতে সকলেই কর্মী,কেউই পুলিশ নয়। কিছুদিন আগে সদ্য চাকরি পাওয়া এক পুলিশের নাম ছিল তৃণমূল কংগ্রেসের তালিকায়।
গতকাল ফুলিয়া অঞ্চলে এক বিজেপি কর্মীর বাড়িতে তৃণমূলের পক্ষ থেকে হুমকি দেওয়া হচ্ছে শুনে, রানাঘাট দক্ষিণের বিজেপি সভাপতি তথা বিধায়ক পার্থসারথি চ্যাটার্জী এবং জগন্নাথ সরকার তার বাড়িতে দেখা করতে গেলে স্থানীয় তৃণমূল কর্মীরা তাদের বাধা প্রদান করেন, নিরাপত্তাহীনতার কারণে ওই প্রার্থীকে অন্যত্র সরিয়ে রাখা হয়েছে এ বিষয়ে শান্তিপুর থানায় লিখিত অভিযোগ করলেও তারা কোন ব্যবস্থা নেয় না।
বিজেপি সংসদ জগন্নাথ সরকার বলেন, এসপিকে জানিয়েছি, আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে সুব্রত মালাকলের অপসারণ না হলে সমস্ত থানায় বিক্ষোভ শুরু হবে বিজেপি কর্মী সমর্থকদের পক্ষ থেকে।
যদিও এ বিষয়ে পুলিশ প্রশাসনের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

