শান্তিপুর পৌরসভার 57 জন সাফাই কর্মী বিধায়কের শরণাপন্ন
মলয় দে নদীয়া:- সাতসকালে বিধায়কের বাড়িতে পৌঁছালেন
শান্তিপুর পৌরসভার 57 জন সাফাই কর্মী। তাদের দাবি গত 17 বছর যাবৎ পৌরসভার তত্ত্বাবধানে কেন্দ্রীয় প্রকল্প সলিটারি ম্যানেজমেন্টের অধীনস্থ ছিলেন 57 জন সাফাই কর্মী, সেই অনুযায়ী তাদের প্রভিডেন্ট ফান্ডের তালিকাভুক্ত হয়েছেন তারা । সম্প্রতি নতুন পৌরসভা গঠন হওয়ার পর নির্মল বাংলা প্রকল্পের অধীনে কাজ করার জন্য বিভিন্ন ওয়ার্ডে শতাধিক সাফাই কর্মী হিসাবে নতুন নিয়োগ হয়েছে। এবং পূর্বের এই 57 জন কর্মীকেও এখন থেকে নির্মল বাংলা প্রকল্পের অধীনে চলতে হবে, প্রত্যেকেই 200 টাকা রোজ হিসাবে কাজ করার সুযোগ পাবেন। পূর্বের সাফাই কর্মীদের দাবি, ডেইলি রোজ এ কাজ হলেও, বাড়ি বাড়ি থেকে বালতিতে রাখা আবর্জনা নিয়ে আসার জন্য প্রতিবাড়ি থেকে কুড়ি টাকা করে পেতেন এযাবৎ কাল কিন্তু বর্তমানে তা জমা করতে হবে পৌরসভায়, তবেই তারা মাসের শেষে টাকা পাবেন। পুরাতন শ্রমিকরা ক্ষোভের সাথে জানান বিগত দিনে প্রয়াত অজয় দে পৌরসভার পুরপ্রধান থাকাকালীন, রাস্তা পরিষ্কারের জন্য সলিটারি ম্যানেজমেন্ট থেকে সামান্য অর্থ পাওয়ার কারণে বাড়ি-বাড়ি পরিত্যক্ত জঞ্জাল নিয়ে আসা বাবদ প্রতিবারই থেকে দেওয়া কুড়ি টাকা সাফাই কর্মীদের তুলে নিতে বলেছিলেন।
বিধায়ক বলেন পৌরসভার বিষয়ে সরাসরি মতামত প্রকাশের অধিকার বিধায়কের নেই। সমাজকে পরিষ্কার রাখার এত জন মানুষের সমস্যা, নিশ্চয়ই পৌরসভার সাথে কথা বলবো।
পৌরসভার চেয়ারম্যান সুব্রত ঘোষ দূরভাষে জানান, অন্যান্য পৌরসভায় যে নিয়মে চলছে আমাদের পৌরসভা ব্যতিক্রমী হতে পারেনা, তবে তাদের সমস্যা সংক্রান্ত বিষয়ে এখনো আমাকে জানানো হয়নি। বিগত দিনেও কাউন্সিল বোর্ড মিটিং ডেকে সিদ্ধান্ত হয়েছে সমস্যা হলে সেখানেই সমাধান হবে।

