শান্তিপুর থেকে ধর্মতলায় পৌঁছানো তৃণমূল কর্মী সমর্থকদের জন্য বিধায়কের মধ্যাহ্ন ভোজের ব্যবস্থা, বর্তমানে গণভোজে পরিণত হয়েছে, শান্তিপুরের নেতৃত্বরা কোমর বেঁধে রান্না এবং খাবার দেওয়ার কাজে

মলয় দে নদীয়া :- সেবাই যাদের লক্ষ্য তারা, যেখানেই যাক না কেন মানুষের সেবায় নিয়োজিত থাকেন। একুশে জুলাই উপলক্ষে কলকাতার ধর্মতলায় আজ সারা রাজ্যের তৃণমূল কংগ্রেস কর্মী সমর্থকরা উপস্থিত হয়েছেন শহীদ স্মরণে।
সকাল থেকেই বিধায়ক ব্রজকিশোর গোস্বামী শান্তিপুর পৌরসভার চেয়ারম্যান সুব্রত ঘোষের নেতৃত্বে সকালের বিভিন্ন ট্রেনে শান্তিপুর থেকে ব্যাপক কর্মী সমর্থক পৌঁছেছেন ধর্মতলায়। যদিও বিধায়ক পৌঁছেছেন গতকালকেই। আজ তিনি ব্যস্ত থাকবেন জেনেই আজ থেকে সাত দিন আগে তার মহানুভবতায় কর্মীদের প্রতি নজর দিতে একটি কমিটি গঠনের মাধ্যমে খাওয়া-দাওয়ার আয়োজন এর ব্যবস্থা করেছিলেন। দুজন রাধুনী এবং দুজন সহকারি গতকালকেই ধর্মতলা সংলগ্ন মোহন বাগানের মাঠে উপস্থিত হয়ে, বিধায়কের দায়িত্ব দেওয়া প্রতিনিধিদের তৎপরতায় আজ ভোররাত থেকেই শুরু হয় রান্নার আয়োজন। ডাল, পাঁচমিশালি তরকারি এবং ডিমের ঝোল দিয়ে ভাত এবং একটি জলের বোতল দেওয়া হয় প্রত্যেক শান্তিপুর থেকে আগত তৃণমূল কর্মীদের। তবে এক্ষেত্রে, জেলা বা জেলার বাইরেও অন্যান্য কর্মীরাও দুপুরের আহার সংগ্রহ করেন সেখান থেকেই। যদিও একুশে জুলাই মূল কমিটির পক্ষ থেকে লক্ষাধিক কর্মী সমর্থকদের খাওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে, কিন্তু প্রচুর মানুষের ভিড়ে সেই পর্যন্ত হয়তো অনেকেরই পৌঁছানোর পরিস্থিতি হচ্ছে না আর সেই কারণেই শান্তিপুরের বিধায়কের এই ব্যবস্থায় খুশি আগত কর্মী সমর্থকরা। তবে সর্বশেষ খবর পাওয়া অনুযায়ী শান্তিপুরের সকল কর্মী সমর্থকদের মধ্যাহ্নভোজ হওয়ার পরেও নতুন করে আরো এক হাজারেরও বেশি কর্মী সমর্থক মধ্যাহ্নভোজ সেরেছেন সেখানে। তবে বাড়তি এ ব্যবস্থা সকালের পর থেকে, সামলাতে বিধায়কের পিতা তথা ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রশান্ত গোস্বামী সহ বেশ কিছু তৃণমূল নেতৃত্বও কোমর বেঁধে নেমে পড়েন এ কাজে। তারা বলেন মাইকের আওয়াজ কানে আসছে, একদিকে দলের বার্তা শোনা অন্যদিকে মানুষের সেবা চলছে