মলয় দে নদীয়া :-সম্প্রতি বিয়ের দাবিতে রাজ্য সরকারের কর্মচারীরা অনশনে কাটাচ্ছেন ধরনা মঞ্চে। তাদের কথা অনুযায়ী অতীতের বহু আন্দোলনের সুফল পেয়েছেন সকলেই। ধর্মঘটের পক্ষে হোক বা বিপক্ষে অবস্থান দোদ্যুল্যমান অনেকেরই।
শ্যাম কূল দুই রাখা উভচরদের সামনে আজ অগ্নিপরীক্ষা।
আগের কর্ম বিরতিতে শান্তিপুর কলেজ কর্মচারীদের উপস্থিতি লক্ষ্য করতে পেরেছিলাম না আমরা, সূত্রের খবর অনুযায়ী জানা গেছে সে সময় ছুটি ভোগ করেছিলেন বেশ কয়েকজন।
আজ আবারো, সেখানে গিয়ে লক্ষ্য করা গেলো, চার পাঁচ জন একত্রিত হয়ে ধর্মঘটের স্বপক্ষে বুকে ব্যাচ লাগানো।
এক নেতৃত্বে কে তাদের অবস্থান প্রসঙ্গে বক্তব্য চাইলে তিনি আসছি বলে, কলেজ ছাড়লেন, অন্য আরেক মহিলা কর্মচারী তার নিজের ব্যাচ খুলে যোগ দিলেন ধর্মঘটে অংশগ্রহণ না করা সংগঠনের সাথে।
এরপর শান্তিপুরের দীর্ঘদিনের বামপন্থী বলে পরিচিত বিশেষ ধর্মঘটী হঠাৎই ব্যাচ খুলে পুরলেন পকেটে। বাকিরাও অদৃশ্য হয়ে গেলেন দু এক মিনিটের মধ্যেই। যদিও মেরুদন্ড সোজা রেখে, ক্যামেরার সামনে বক্তব্য দিতে রাজি হন সঞ্জয় দাস নামে এক কলেজ কর্মচারী। তবে তিনি বলেন যেহেতু , কলেজে পরীক্ষা চলছে তাই দায়িত্ব এড়াতে পারেননি তিনি। ধর্মঘটীদের দাবির সাথে সম্পূর্ণ একমত হয়ে, তিনি তার নৈতিক সমর্থন জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে কলেজ কর্মচারীদের বিপুল সংখ্যক একত্রিত হয়ে বন্ধের বিরোধিতা করেন। তারা বলেন, ছাত্র-ছাত্রীদের পরীক্ষায় সহযোগিতা না করে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে প্রণদিত করতে দুই একজন বিভ্রান্ত ছড়াচ্ছে, মানবিক মুখ্যমন্ত্রীর কাছে আন্দোলন লাগেনা সমাজের সকলের জন্য তার বিভিন্ন রকম প্রকল্প রয়েছে, কর্মচারীরাও তাদের বকেয়া নিশ্চয়ই পাবেন।
কলেজ অধ্যাপকদের সংগঠন ওয়েবকোটার পক্ষ থেকে এই বন্ধের সরাসরি বিরোধিতা করে বলা হয়, বাংলায় আন্দোলনের বড় মুখ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্বয়ং নিজে। তাই তার কাছ থেকে আন্দোলন করে নেওয়ার কোনো প্রয়োজনীয়তা তারা দেখছেন না।
ছাত্র-ছাত্রীদের পরীক্ষা কোন ভাবে ব্যাহত হচ্ছে কিনা তা দেখার জন্য উপস্থিত হয় তৃণমূল ছাত্র পরিষদের নেতৃত্ব।
তবে বেশ কিছু অধ্যাপক অধ্যাপিকা এবং কলেজ কর্মচারী স্বপক্ষে বা বিপক্ষে না গিয়ে, স্বাভাবিক কাজকর্ম করেন আজ।

