শান্তিপুরের জননেতা অধ্যাপক অসমঞ্জ দে র 40 তম মৃত্যুবার্ষিকী পালন চিরাচরিত ভাবেই

শান্তিপুরের জননেতা অধ্যাপক অসমঞ্জ দে র 40 তম মৃত্যুবার্ষিকী পালন চিরাচরিত ভাবেই

মলয় দে নদীয়া :-দিনটা ছাব্বিশে মে 1984 সাল। বিকাল থেকে হালকা বৃষ্টির সঙ্গে ঝোড়ো হওয়া, রাস্তা প্রায় ফাঁকা। সন্ধ্যে ছটা নাগাদ শান্তিপুর কাঁসারি পাড়ার বাড়ি থেকে, আর পাঁচটা দিনের মতন অতিপরিচিত খোকন দাসের রিক্সা করে যাচ্ছিলেন কংগ্রেস অফিসে। ডাকঘর মোড়ে হঠাৎই কারেন্ট অফ সাথে সাথে দুষ্কৃতীরা ঝাঁপিয়ে পড়ে তার উপর, রক্তাক্ত ক্ষত-বিক্ষত দেহ অল্প সময়ের মধ্যেই পরিণত হয় মৃতদেহে। শান্তিপুর বিধানসভা তৃণমূল কংগ্রেস আয়োজিত এক সদ্য অনুষ্ঠানে
আজ তাঁর 40 তম মৃত্যুবার্ষিকীতে উঠে আসলো এমনই নানান স্মৃতি চারণা। প্রতিবছরের মতো এবছরও রক্তদানের আয়োজন ছিলো, গ্রাম-শহরের তার বহু শুভাকাঙ্ক্ষী উপস্থিত হয়েছিলেন প্রতিকৃতিতে মাল্যদান করে শ্রদ্ধা জানাতে। বিধায়ক ব্রজকিশোর গোস্বামী শান্তিপুর পৌরসভার পৌর প্রধান সুব্রত ঘোষ সহকারি উপ পৌরপ্রধান কৌশিক প্রামানিক, অসমঞ্জ দে ওয়েলফেয়ার সোসাইটির সভাপতি তপন বিশ্বাস, পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি রীনা প্রামানিক, সহ প্রত্যেক কাউন্সিলরগণ এবং সে সময় অধ্যাপক অসমঞ্জ দের ছাত্র রাজনৈতিক কর্মী এবং শুভকাঙ্খীগণ।
সে সময়ের যারা আজও রয়েছেন, তারা বর্ণনা করলেন স্যার অসমঞ্জ দের নানা কথা।
প্রথমে শান্তিপুরের ওরিয়েন্টাল স্কুল, পরে শান্তিপুর কলেজের জনপ্রিয় শিক্ষক ছিলেন অসমঞ্জ দে। ১৯৭২ থেকে পাঁচ বছর শান্তিপুরের কংগ্রেস বিধায়ক। তার পর ১৯৭৮ অবধি পুরপ্রধান। এর মধ্যেই এক বার খুনের মামলায় গ্রেফতার হন। ১৯৭৭ সালে তাঁকে আর বিধানসভায় টিকিট দেয়নি দল। সে বারই রাজ্যে পালাবদল হয়। শুরু হয় বাম জমানা। তাঁর মৃত্যুর পর, তৎকালীন কংগ্রেস নেতৃত্ব কুমারেশ চক্রবর্তী বলরাম ঘোষদের মতো অনেকেই, তার ভাই অজয় দেকে রাজনীতিতে অবতীর্ণ করান। সেই থেকে টানা 25 -30 বছর ধরে, অজয় দে র নেতৃত্বেই বিধানসভা এবং পৌরসভা চলে দীর্ঘদিন।