মলয় দে নদীয়া:- গতকাল নবদ্বীপ লোকসভা কেন্দ্রের সাংসদ জগন্নাথ সরকারের বাড়িতে গিয়ে তার হাত থেকে বিজেপির পতাকা নিয়ে বেশ কিছু ব্যক্তি যোগদান করে । তাদের দাবি ছিলো, তারা হরিপুর দাসপাড়া অঞ্চলের বুথ স্তরের তৃণমূল কর্মী। তাদের সাথে আলোচনা না করেই ওই এলাকায় তৃণমূল প্রার্থী ঠিক করায় তারা মনঃক্ষুন্ন হয়ে, বিজেপিতে যোগদান। এবং ওই এলাকার বিজেপি প্রার্থী সুষমা দাস কে জয়ী করানোর সংকল্পও তারা নিয়েছিলেন। গতকাল বিকালেও তাদের পদ্মফুলের প্রচার করতে দেখা যায় এলাকাতে। মাঝে মাত্র একটি রাত। সকালে উঠে আবারো পদ্মফুল থেকে ভ্রমরের মতন জোড়া ফুলে। তারা জেলা পরিষদের প্রাক্তন সভাধিপতি বর্তমান জেলা পরিষদের প্রার্থী রিক্তা কুন্ডু এবং হরিপুর অঞ্চল তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি সুবল হালদারের হাত থেকে তৃণমূল কংগ্রেসের পতাকা নিয়ে প্রত্যাবর্তন করেন। তবে চারজনকে আজ দেখা গিয়েছে প্রত্যাবর্তন করতে। এ প্রসঙ্গে রিক্তা কুন্ডুকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, গতকাল সাংসদ-২৮ জন দাবি করলেও তা ছিলো শুধুমাত্র সংখ্যার চমক। আমাদেরই কর্মী স্থানীয় কর্মীদের সাথে কিছু সমস্যা জনিত কারণে অভিমানীত হয়েছিলো, আর এই সুযোগে তাদেরকে ভুল বুঝিয়ে প্রলোভন দেখিয়ে বিজেপিতে নিয়ে গিয়েছিলো। কিন্তু উন্নয়নে সামিল হতে যেখানে সাধারণ মানুষ স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ করছে সেখানে দলীয় কর্মী সমর্থক তো করবেই !এটাই স্বাভাবিক। বিভিন্ন জায়গায় তৃণমূলের বিরুদ্ধে তৃণমূলেরই নির্দল প্রার্থী প্রসঙ্গে তিনি বলেন, দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
প্রত্যাবর্তন করা চার কর্মী বলেন তাদেরকে অবশ্য বিজেপি গতকাল জোর করেনি আজ তৃণমূলও না। ভুল বোঝাবুঝির কারণে এই অনভিপ্রেত ঘটনা ঘটেছে।

