বিজেপির পতাকা বাড়িতে লাগানোর অনুমতি দেওয়ার কারনে, দুষ্কৃতীদের পতাকা খোলা, বাড়ির দরজায় ধারালো অস্ত্রের কোপ এবং মৃত্যুর হুমকি
মলয় দে নদীয়া:- দলীয় পতাকা ছেঁড়ার প্রতিবাদ করার লোহার রড দিয়ে হামলা, বাড়ি লক্ষ্য করে ইট বৃষ্টি, ধারালো অস্ত্র নিয়ে বাড়ি এবং দোকান ভাঙচুর। প্রশাসনের দ্বারস্থ হলে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি। অভিযোগের তীর তৃনমূলের আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে।ঘটনাটি ঘটেছে নদীয়ার শান্তিপুর শহরের 18 নম্বর ওয়ার্ডের মৌচাক কলোনিতে। চরম আতঙ্কে ভুগছে ওই পরিবার। 18 নম্বর ওয়ার্ডের বিজেপি প্রার্থী সূর্য প্রামাণিকের দাবি , গতকাল রাতে বেশ কয়েকজন যুবক বিজেপির একাধিক দলীয় পতাকা ছিঁড়ে নিজেদের পতাকা লাগাচ্ছিল। ঠিক তখনই মৌচাক কলোনি এলাকায় দোকানদার তার দোকানে ধারালো অস্ত্র বারাসাতে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ এবং পতাকা খোলার বিষয়ে প্রতিবাদ করলে আচমকা একটি লোহার রড দিয়ে ওই ব্যক্তির মাথায় আঘাত করে। পরে আরও বেশ কয়েকজন হেসে অভিব্যক্তির বাড়ি লক্ষ্য করে ইট ছোড়ে। অস্ত্র দিয়ে তার দরকার এবং বাড়িতে হামলা করা হয়। বাড়ির টালি ভেঙে দেওয়া হয়। প্রশাসনের দ্বারস্থ হলেন সকলকে প্রানে মেরে দেওয়ার হুমকি দেয় দুষ্কৃতীরা।। ওই এলাকায় সিপিআইএম প্রার্থী সূর্য প্রামানিক বলে, দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকায় সন্ত্রাসের বাতাবরণ সৃষ্টি করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। পুরোপুরি পুলিশকে সামনে রেখে তারা সন্ত্রাস চালাচ্ছে। প্রশাসনকে জানিয়েও কোনো লাভ হয়নি। আমরা এই সন্ত্রাস আর বেশিদিন চলতে দেবোনা এই এলাকায়। প্রশাসন কোনো ব্যবস্থা না নিলে উচ্চতর নেতৃত্ব সঙ্গে কথা বলে প্রয়োজনে বিক্ষোভ-অবরোধ নামব আমরা। যদিও পুরো ঘটনাটি অস্বীকার করেছে ওই এলাকার তৃণমূল প্রার্থী নরেশ লাল সরকার। তিনি বলেন আমাদের দলীয় পতাকা ছেড়া হয়েছে তার আগের দিন রাত্রে, বিজেপির পতাকা ছেড়া হয়েছে তা শুনিনি তবে যদি হয়ে থাকে এ ঘটনার সাথে তৃণমূল কখনোই যুক্ত থাকতে পারে না। আমরা মমতা ব্যানার্জির দল করি উন্নয়নে শামিল হয়ে সন্ত্রাসী নয়। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত করে দোষীদের শাস্তি দিক শান্তিপুর থানার পুলিশ।
যদিও ওই পরিবারের থেকে, এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ জমা হয় নি।

