বহু প্রাচীন “কারবালা” অদৃশ্য হলো পর্চা থেকে, বিভিন্ন প্রশাসনিক দপ্তরে সংখ্যালঘু সেলের দরবারের ফলে ফিরে এলো আবারও

বহু প্রাচীন “কারবালা” অদৃশ্য হলো পর্চা থেকে, বিভিন্ন প্রশাসনিক দপ্তরে সংখ্যালঘু সেলের দরবারের ফলে ফিরে এলো আবারও

মলয় দে নদীয়া :-শান্তিপুর প্রসঙ্গে লেখা বিভিন্ন প্রামাণ্য ঐতিহাসিক তথ্য থেকে পাওয়া যায়, মালঞ্চে গাজীমের মাঠ, নতুনহাট অঞ্চলের কারবালার মাঠ, বিভিন্ন মসজিদ , কবরস্থানেরর কথা।
যার মধ্যে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নতুন হাট অঞ্চলের বেড়গ্রাম মৌজার ৪০০ দাগ নাম্বারে হাট উল্লিখিত থাকলেও সাবেক দাগ নাম্বার 276 অনুযায়ী ১৭১৮ অংশে হাট এবং ১৬৬৭ অংশে মুসলমান ব্যবহৃত অংশ হিসেবে উল্লেখ ছিল। মহরম উপলক্ষে বিভিন্ন এলাকায় কারবালা নামক এ ধরনের অত্যন্ত পরিচিত জায়গায় গিয়ে তারা বিভিন্ন ধর্মীয় রীতিনীতি পালন করে থাকেন। সম্প্রতি মহরমে এবারও, শান্তিপুর থানা এবং পৌরসভার তত্ত্বাবধানে এই এলাকাটি তাদের ব্যবহারের উপযোগী করে নিরাপত্তা প্রদানের উদ্দেশ্যে নিজেরাও উপস্থিত ছিলেন। তবে সম্প্রতি কয়েকদিন আগে লক্ষ্য করা যায় বর্তমান পশ্চিমবঙ্গ ভূমি রাজস্ব দপ্তরের অনলাইন পোর্টালে এই বিষয়টি উঠে গিয়ে শুধুমাত্র হাট কথাটিই লেখা রয়েছে। আর তাতেই দুশ্চিন্তায় পড়েছিন সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের বেশ কিছু সচেতন নাগরিক। তারা এ বিষয়ে শান্তিপুর পৌরসভা এবং বি এল আর ও দপ্তরে গতকাল একটি লিখিত আবেদন জমা দেন। এ বিষয়ে শান্তিপুর কলেজের প্রাক্তন অধ্যাপক আব্দুল সালাম খন্দকার দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, সমাজের ব্যবহার্য হলেও দায়িত্বে থাকে পৌরসভা , তাই তাদের আরো সচেতন হওয়া উচিত।
পৌরসভার চেয়ারম্যান সুব্রত ঘোষ বলেন, বিষয়টি জানা ছিল না তবে বি এল আর ও দপ্তরে ফোন করেছি।
বিষয়টি খতিয়ে দেখে বি এল আর ওর পক্ষ থেকে আধিকারিক তা আবারো সাবেকী পর্চা অনুযায়ী ঠিক করে দেন। আর এই মহানুভবতার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সদস্যরা।
তবে এভাবেই আগামীতে, কবরস্থানে মৃত দেহ সনাক্তকরণ এবং নাম লিপিবদ্ধ করণের ব্যবস্থার তৎপরতা আশা করেছেন শান্তিপুর পৌরসভা কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে। কারণ কিছুদিন আগে একটি ইফতার পার্টিতে পৌরসভার পক্ষ থেকে এমনই আশ্বাস দেওয়া হয়েছিলো তাদের।
অন্যদিকে বিভিন্ন কবরস্থানের, আলো জল এবং উপযুক্ত পরিবেশ সৃষ্টি করা দেওয়ার দাবি রেখেছেন তারা। কবরস্থানের গাছের চোরাকারবারিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া এবং সঠিকভাবে বিক্রিত গাছের টাকা সমাজের কাজে লাগানোর জন্য পৌরসভার কাছে অনুরোধ রেখেছেন তারা।