ফুল আগে না ফল! শান্তিপুর বাগআঁচড়া অঞ্চল তৃনমূল কংগ্রেস সভাপতির জোড়া ফুলের বিরুদ্ধে সহসভাপতির নির্দলে আম প্রতীক চিহ্নের লড়াই

মলয় দে নদীয়া :- শাসক দলের পক্ষ থেকে যখন স্লোগান হিসেবে ব্যাপক প্রচলিত খেলা হবে সাধারণ মানুষেরও মুখে মুখে। ঠিক তখনই বিরোধীরা, কটাক্ষ করে বলতে শোনা গেছে, হ্যাঁ খেলা হবে ঠিকই, তবে ইনডোর গেম! নিজেদের মধ্যেই। নদীয়ার শান্তিপুর বাগআঁচড়া পঞ্চায়েতের ২৬ নম্বর বুথে, ফুল আগে না ফল! সেই নিয়ে তৃণমূল এবং নির্দলের মধ্যে কাজিয়া।

সেখানে তৃণমূলের জোড়া ফুল চিহ্নে দাঁড়িয়েছেন তিনবারের জয়ী সদস্য সুদর্শন ধারা। যদিও তিনি অতীতে দুবার কংগ্রেসে একবার তৃণমূলে এবং একবার নির্দলেও জয়ী হয়েছিলেন তিনি। সেদিক থেকে অবশ্য দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ হয়েছিল তখনও।
যদিও তিনি পরবর্তীতে তৃণমূল কংগ্রেসেই যোগদান করেন।
তবে সে সময়ে নির্দল সম্পর্কে দলের বর্তমান সময়ের মতন কঠোর নির্দেশ দেওয়া হতো না দলের পক্ষ থেকে, করা হতো না বহিষ্কারও।
তবে এ ব্যাপারে, সুদর্শন বাবু জানান, জয়ের ব্যাপারে তিনি ১০০ শতাংশ আশাবাদী, তবে পেশায় একদিকে শিক্ষক অন্যদিকে প্রসিদ্ধ ব্যবসায়ী হওয়ার কারণে অর্থনৈতিক দিক থেকে অত্যন্ত শক্তিশালী তার অঞ্চলেরই তৃণমূল কংগ্রেসের সহ-সভাপতি মনোজ সরকার, যে দলীয় শৃঙ্খলা অমান্য করে নির্দল প্রার্থী হয়েছেন। তবে এক্ষেত্রে, আমাকে নয় প্রকারান্তে দলকে হারাতে চাইছে সে তাই দলের উচিত কঠোর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা। যদিও ইতিমধ্যে বেশ কিছু এ ধরনের সিদ্ধান্ত গ্রহন করেছে দল, যার তালিকা এখনো পূর্ণ হয়নি।
সন্ধের পরে বিপুল সংখ্যক লোকজন নিয়ে প্রচারের মাঝেই দেখা হয়েছিল আমাদের সংবাদ মাধ্যমের সাথে। তিনি সেদিন, বক্তব্য দিতে চাননি, পরবর্তীতে মোবাইলে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আলোচনা করে জানাচ্ছি, এরপর বেশ কয়েকবার যোগাযোগ করলেও তিনি আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ কাজে লাগাননি। যদিও তাদের কর্মীদের অভিযোগ গতকাল রাতে, বেশ কিছু ফ্ল্যাগ ফেস্টুন ছিঁড়ে দেওয়া হয়েছে এমনকি প্রমাণের জন্য তা গায়েব করেও দেওয়া হয়েছে।