পৌরসভার জমিতে ব্যবসা স্থানীয় কাউন্সিলরের, তার নেতৃত্বেই পাশের জমিতে নির্মাণ আটকে দেওয়া হলো অভিযোগ জমির মালিকের, কাগজপত্রের বাইরেও জমি ঘেরার কারণে মানুষের বাধা বললেন কাউন্সিলর
মলয় দে নদীয়া :-শান্তিপুর শহরের আট নম্বর ওয়ার্ডের মনসাতলা এলাকায় অত্যান্ত গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় পৌরসভার রেকর্ডে থাকা একটি জমি নিয়ে দীর্ঘদিনের বিতর্ক পাশের জমির বর্তমান মালিক বাপ্পা মালাকারের সাথে। তার কথা অনুযায়ী, পুরসভার জায়গা হলেও স্থানীয় কাউন্সিলরের স্বামী সঞ্জয় কর ব্যবসা করেন ওই জমিতে, ক্লাব গড়ে ওঠার ফলে ওদের সমর্থনে লোকজনের সংখ্যাও বেশি। ব্যবসায়িক জায়গা কমে যাওয়ার কারণে, অধিকারের জমি তে বাড়ি করাও চক্ষুশুল হয়েছে তাদের। আগে বেশ কয়েকবারের মতন আজও নির্মাণকার্য বন্ধ করে দিলো কাউন্সিলর নিজে দাঁড়িয়ে থেকে।
এলাকা সূত্রে জানা যায় যদিও এই ৪.৭৫ শতক জায়গাটি প্রায় দেড় বছর আগে কেশব পালের শরিকানা জায়গা কেনা। পেছনে একটি বাগান তাদের কেনা থাকলেও রাস্তা হিসেবে উল্লেখিত কিছু নেই। ক্লাব এবং এলাকাবাসীর সাথে এ ধরনের সমস্যার কারণে তারাও পৌরসভা কে দিয়ে ওই জায়গায় ঘিরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন আজ।
তবে পৌরসভার পক্ষে দায়িত্ব দেওয়া এবং স্থানীয় কাউন্সিলর এর স্বামী সঞ্জয় কর বলেন, নিজস্ব জমি বাদেও কিছুটা জায়গা ভিড়ে নেওয়ার জন্য বাপ্পা মালাকার চেষ্টা করছে বহুদিন। সেটাই বারে বারে প্রতিহত করেছে এলাকাবাসী। জমির দৈর্ঘ্য এবং প্রস্থ অনুযায়ী তার জমি পরিমাণ যে পর্যন্ত হওয়া দরকার তার থেকেও ম্যাপে বহির্ভূত কিছুটা জমি সে অধিগ্রহণ করতে চাইছে। অথচ জমির ডানদিক এবং ডানদিকে প্রায় ২০০ মিটার থেকে মেপে দেখা গেছে কারোর কোন সমস্যা নেই, এমনকি ওনারও না। রানাঘাট নিবাসী কোন এক প্রভাবশালী প্রোমোটার তার আত্মীয় হওয়ার কারণেই, এই দুঃসাহস জন্মছে।

