নলেন গুড় উৎপাদনের ক্ষেত্রে শুধু হাঁসখালি তে নয় প্রয়োজন, নদীয়ার বিভিন্ন প্রান্তের শিউলির মধ্যে যোগাযোগ স্থাপন, চিনি মেশানো গুড়ের সাথে অসম লড়াইয়ে মার খাচ্ছে বহু শিউলি
মলয় দে নদীয়া:- শীতের হিমেল হাওয়ায় রোদে পিঠ দিয়ে গ্রামবাংলার তোমার ঠাকুমা চলে পিঠেপুলি তৈরি। সঙ্গে নলেন গুড়ের গন্ধ। শীতের মরশুমে প্রতিদিন সকালে খেজুর রস বিক্রি করে লাভবান হচ্ছেন শিউলিরা। তাঁদের মুখে চওড়া হাসি।বর্তমানে দেশের বাজারে গুড়ের চাহিদাও রয়েছে যথেষ্ট। সরকারি তত্ত্বাবধানে 2018 সালের মাজদিয়ায় নলেন গুড় উৎপাদন এবং তা বিক্রির ব্যবস্থা করে সরকারি দপ্তর খাদি।
কিন্তু নদীয়ার নাকাশিপাড়া তেহটটো করিমপুর বেথুয়া গয়েশপুর নবদ্বীপ কৃষ্ণনগর শান্তিপুর নানা স্থানে প্রচুর পরিমাণে খেজুরের গাছ থাকলেও তানিয়ে স্থানীয় শিউলিদের সাথে যোগাযোগ এখনো সম্ভব হয়ে ওঠেনি বলেই জানা গেলো। একদিকে বাজারে চিনি মেশানো কমদামের গুড়ের সাথে অসম লড়াই অন্যদিকে উৎপাদিত গুড় পাটালি উপযুক্ত দাম না পাওয়ার ফলে নির্ভর করতে হচ্ছে স্থানীয় বাজারের উপরেই। অত্যন্ত কম লাভের কারণে এ কাজে গাছে ওঠা গুড় জ্বাল দেওয়া রস সংগ্রহ করা বিভিন্ন শ্রমিকদের কাজে অনীহার ফলে মার খাচ্ছে গ্রামীন এই শিল্প।

