নদীয়া চাকদহে ইতস্তত ঘুরে বেড়ানো এক কিশোরের কথা অনুযায়ী তার মা তাকে গাড়ি থেকে জাতীয় সড়কের ওপর নামিয়ে দিয়ে আসছি বলে কেটেছে 24 ঘন্টা!

মলয় দে নদীয়া :- না এটা কোন খবর নয়, বরং মানবিকতা। খবর ভুলে সম্পূর্ণ মানবিক কারণে আমাদের সাংবাদিক এখনো পর্যন্ত রয়েছে ঐ একটি হারিয়ে যাওয়া শিশুকে উদ্ধার করে এক সহৃদয় ব্যক্তির বাড়িতে রেখে, তাকে স্নান করিয়ে নতুন জামা পরিয়ে খাদ্য খাবার দিয়ে আজ চাকদা থানার মাধ্যমে চাইল্ড লাইনের হোমে রাখা হয়েছে তাকে। গতকাল দুপুর দুটো নাগাদ নদীয়া চাকদহ জাতীয় সড়কের পাশে একটি দোকানের সামনে অবিরাম কেঁদে চলেছে এক কিশোর! বয়স বছর দশেক হবে। নাম বলছে সুরজিৎ দাস, বাবাকে কোনদিনই দেখেনি সে, মার নাম রুপা দাস। বাড়ির ঠিকানা বলতে পারছেনা।দাদুর বাড়ি বলছে কলকাতা নিমতলা স্টিট।বলছে সোনামার কাছে থাকতো। খোঁজ করে না পেয়ে চাকদহ থানায় ফোন করে এলাকার মানুষ।শেষ পযর্ন্ত চাকদহ থানার পুলিশের হাতে তুলে দেয় যাতে বাড়িতে পৌছতে পারে।ছেলেটির মুখ থেকে জানা যায় তার মা গাড়ি করে নিয়ে আসে।বসিয়ে রেখে চলে যায়।
তবে আপনাদের প্রচুর শেয়ারের এর মাধ্যমে, যদি ওই কিশোরের “সোনা মাকে” খুঁজে শাস্তি দেওয়া যায় তাহলে হয়তো , এ ধরনের অপরাধ অনেকটা কমানো সম্ভব হবে.।