মলয় দে নদীয়া:- শান্তিপুর শহরের 16 নম্বর ওয়ার্ডের চর সারাগর এলাকায় গঙ্গা ভাঙ্গনের করাল গ্রাসে বিঘার পর বিঘা চাষেরজমি সহ এগারোটি পরিবারের উৎখাত হয়েছিল বছরখানেক আগে! স্থায়ী পার বাধানোর ব্যবস্থার না হওয়ার কারণে,কিছুদিন আগে পাঁচটি পরিবারকে অন্যত্র চলে যেতে হলে, এলাকাবাসী বিক্ষোভ দেখায়, জাতীয় উপর টায়ারে আগুন জ্বালিয়ে। সে সময় প্রশাসনিক একাধিক কর্মকর্তা আশ্বস্থ করেছিলেন, সায় দিয়েছিলেন জনপ্রতিনিধিও। কিন্তু গতকাল রাতে, সন্ধ্যে সাতটার পর থেকে দুরাবস্থার কথা জানাতে ফোন করেছিলেন অনেকবার, কেউই তে পাশে এসে দাঁড়ানি বলেই অভিযোগ এলাকাবাসীর । সাংসদ এবং বিধায়কপদে জয় লাভ করা জগন্নাথ সরকারকে জানালে তিনি দিল্লিতে রয়েছেন বলে জানা যায় ,তবে দলীয় কর্মী সমর্থকরা পাশে থাকার আশ্বাস দিলেও, রাতের অন্ধকারে খুঁজে পাওয়া যায়নি কাউকেই। কষ্ট অর্জিত অর্থের তিল করে গড়ে তোলা বাড়িঘর কল পায়খানা বাথরুম একের পর এক ঝুপ ঝাপ শব্দে ভেঙে পড়ছে গঙ্গাবক্ষে! আজ এবং লঞ্চের সিগন্যাল পোস্ট আগেই তলিয়ে গেছে জলের মাঝে, বৈদ্যুতিক ঘটনা এড়াতে অন্ধকার অবস্থায় অত্যন্ত প্রয়োজনীয় ঘরের কিছু জিনিসপত্র, সরানোর কাজ করছেন পুরুষরা। শিশুদের শিশুদের নিরাপদ দূরত্বে রাখা রয়েছে। কিন্তু সারা রাত দু চোখের পাতা এক হয়নি, ওই এলাকায় বসবাসকারী অন্যান্য মানুষদেরও। কারণ অন্ধকারে সলিল সমাধির আশঙ্কায়, প্রতিটা মুহূর্ত জেগে কাটিয়েছেন তারা।
আজ সকালে, এলাকাবাসী কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি! তাদের অভিমান, একাধিকবার সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হওয়া সত্ত্বেও, স্থায়ী গঙ্গার পাড় মেরামতির কাজ শুরু হয়নি। সামনেই উপনির্বাচন! ভোট প্রদানে তারা বিরত থাকবেন বলে গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে।

