নতুন খাতা বিক্রেতা, এবং পুরনো বই খাতা কেনা ফেরিওয়ালাদের মতে লাটে উঠেছে পড়াশোনা! হাতের লেখার অভ্যাস বিলুপ্তির পথে

মলয় দে নদীয়া:- 2019 সালের 13 ই মার্চ থেকে স্বার্থপর করণা দৈত্যের উপস্থিতি আশঙ্কায় শিশু-কিশোরদের কোলাহলপূর্ণ বিদ্যালয় গুলি পরিণত হয়েছে নিস্তব্ধ রাজপুরীতে! সরকারি নিয়মের বেড়াজালে, প্রশাসনিক চোখ-রাঙানিতে, গোটাপরিবার দীর্ঘদিন কাটিয়েছে বন্দিদশা। তবে মাঝেমধ্যে কখনো, শিথিল হয়েছে নিয়ম, কখনো বা পেটের তাগিদে ধর্মীয় আবেগে বা রাজনৈতিক স্বার্থে লঙ্ঘিত হয়েছে নিয়ম নীতি। কিন্তু শিশুদের! মাধ্যমিক, উচ্চমাধ্যমিকের মতো গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষাসহ বন্ধ স্কুলে যাওয়াও! ঈদ হোক বা পুজো, উন্মুক্ত খোলা মাঠ বা পার্ক! শিশুদের জন্য বন্ধ দরজা। ঘরে বসে অনলাইনে! আর যদি সে ব্যবস্থা না থাকে, তাহলে একেবারে শিকেয় উঠেছে বইপত্তর।
হাতে লেখার অভ্যাস ক্রমশ অবলুপ্তির পথে। না আমরা বলছি না, শহর-গ্রামের বিভিন্ন বই খাতা পেন পেন্সিলের দোকানদারা। তাদের মতে ইন্টারনেট এককভাবে প্রভাব বিস্তার করার পর ষাট শতাংশ বই খাতা বিক্রি নেমে আসে, স্কুল-কলেজ বন্ধ থাকায় তা নেমে দাঁড়িয়েছে 10 থেকে 15 শতাংশে। তবে কম্পিউটারের প্রিন্ট করার কাগজ, এবং সেই সংক্রান্ত নানান বিষয় বিক্রি বেড়েছে।
অন্যদিকে পুরানো বই-খাতা খবরের কাগজ ফেরিওয়ালারা জানাচ্ছেন, খবরের কাগজ বিক্রি করলেও বই খাতা বিক্রি করছেন না কেউ!
বই পড়ার অভ্যাস নষ্ট হয়েছে বহুদিন আগেই, তাহলে হাতের লেখার দিন শেষ হতে চলেছে!