দুদিন আগে ভীমপুর থানার কুলগাছি তে খুন হওয়া, রহস্যের উদঘাটন করলো ভীমপুর থানা

মলয় দে নদীয়া :- সম্পত্তি দখলের চেষ্টা এবং পারিবারিক বিবাদের জেরেই মূলত খুনের ছক তৈরি করে শংকর শীল নদীয়ার ভীমপুর থানার কুলগাছি মাঠের ভেতর বিগত দুদিন আগে যে মৃতদেহ উদ্ধার হয় সেই খুনের কিনারা করলো ভীমপুর থানার পুলিশ। মূলত সম্পত্তির লোভে,পরিবারিক হিংসার জের এবং মৃতের স্তীর প্রতি সুপ্ত বাসনার জেরেই জ্যাঠতুতো দাদা অভিমুন্য শীলকে খুনের ছক কষে কাকাতো ভাই শংকর শীল। খুনের ছকে শামিল হয় দিনু সরদার, মহাদেব পাল সহ অজ্ঞাত পরিচয় পলাতক এক ব্যক্তি। শংকরশীল তার ব্যক্তিগত সম্পত্তি বিক্রি করে পাঁচ লক্ষ পশ্চাশ হাজার টাকার বিনিময়ে এই হত্যার চুক্তি করে বাকিদের সাথে। চুক্তি মতো ঘটনার দিন সন্ধ্যাবেলায় মহাদেব পাল অভিমন্যুশীলকে মদের আসরে নিয়ে যায় এবং সবাই মিলে মদ খায়। নেশাগ্রস্থ অবস্থায় অভিমন্যূকে পেছন থেকে হাতুড়ি দিয়ে মাথায় সজোরে আঘাত করে। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় অভিমন্যুর। উক্ত ঘটনায় এখন অব্দি অজ্ঞাত পরিচয় একজন ব্যক্তি পলাতক পুরো বিষয়টা তদন্ত করছে ভীমপুর থানার পুলিশ।আজ তিনজনকেই কৃষ্ণনগর দায়রা জজ আদালতে হাজির করলো ভীমপুর থানার পুলিশ।