তৃণমূল কর্মী খুনের ঘটনায়  বিরোধী দলের প্ররোচনায় শাসকদলের প্রাক্তন পঞ্চায়েত প্রধান ও তার পরিবারকে ফাঁসানোর অভিযোগ উঠলো

মালদা , ১৫ সেপ্টেম্বর ।  রতুয়ায়‌ তৃণমূল কর্মী খুনের ঘটনায়  বিরোধী দলের প্ররোচনায় শাসকদলের প্রাক্তন পঞ্চায়েত প্রধান ও তার পরিবারকে ফাঁসানোর অভিযোগ উঠলো। যদিও ইতিমধ্যে পুখুরিয়া থানার পুলিশ ওই তৃণমূল কর্মী খুনের ঘটনায়  মেহেরুল হক নামে এক অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে। পুলিশি জেরায় ধৃত মেহেরুল হক ওই পঞ্চায়েত সদস্যার স্বামী সাদেক আলিকে (৫০) খুন করার কথা স্বীকার করেছে। আর এই ঘটনার পিছনে  সুদের কারবার ও মহিলা সংক্রান্ত কোনো বিষয় জড়িত থাকতে পারে বলেও অনুমান পুলিশের। 
এদিকে শ্রীপুর ২ গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূল পরিবারের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার ঘটনায় দলের জেলা নেতৃত্ব এবং দলীয় সভাপতি তথা বিধায়ক আব্দুর রহিম বক্সীকে প্রাক্তন পঞ্চায়েত প্রধান সেরিনা বিবি তাঁদের বিরুদ্ধে চক্রান্তের বিষয়টি নিয়ে একটি অভিযোগপত্র জমা দিয়েছেন। এই ঘটনার পিছনে কংগ্রেস ও সিপিএমের জোট ষড়যন্ত্র করে প্রাক্তন পঞ্চায়েত প্রধানের পরিবারকে ফাঁসিয়েছে বলে অভিযোগ।

শুক্রবার দুপুরে মালদা শহরের একটি বেসরকারি লজে সাংবাদিক বৈঠক করেন রতুয়া ২ ব্লকের শ্রীপুর ২ গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূল দলের প্রাক্তন প্রধান সেরিনা বিবি বলেন, দীর্ঘদিন ধরেই আমি শ্রীপুর ২ গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূল দলের প্রধান পদের দায়িত্ব সামলিয়ে এসেছি। এবারে ওই গ্রাম পঞ্চায়েত থেকে নতুন প্রধান হয়েছে। গত বুধবার সকালে চাতর এলাকারই এক তৃণমূল কর্মীর দেহ উদ্ধার হয়। এই ঘটনায় মৃতের পরিবারকে প্ররোচিত করেছে স্থানীয় কংগ্রেস ও সিপিএম জোটের একাংশ নেতৃত্ব। ওদের ভুল বুঝানোর জন্য মৃতের পরিবার হঠাৎ করে আমাদের পরিবারের তেরো জনের বিরুদ্ধে পুখুরিয়া থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করে। অথচ এই ঘটনার সঙ্গে আমরা কেউ কিছু জানতাম না । পরে অবশ্য মৃতের এক আত্মীয় তাদেরকে প্ররোচিত করার কথা স্বীকার করে।