গতকালমহরম এবং আগামীকাল রাখি পূর্ণিমার ছুটি থাকার কারণে, বিভিন্ন প্রাথমিক বিদ্যালয় খুদে পড়ুয়ার প্রাক উৎসবে মাতলো

গতকালমহরম এবং আগামীকাল রাখি পূর্ণিমার ছুটি থাকার কারণে, বিভিন্ন প্রাথমিক বিদ্যালয় খুদে পড়ুয়ার প্রাক উৎসবে মাতলো

মলয় দে নদীয়া :-আগামীকাল ১১ ই আগস্ট সকাল নটা ছাপ্পান্ন মিনিটে লাগছে পূর্ণিমা, ছাড়ছে তার পরের দিন ভোর ৫ঃ২৭ মিনিটে। এই অনুযায়ী ধর্মীয় উপাচার হিসেবে রাধা কৃষ্ণের ঝুলন পুতুল ঝুলন মানুষ ঝুলন রাখি বন্ধন বিভিন্ন উপাচার হয়ে থাকে। তবে এ তো গেল ধর্মীয় কথা। এ বাদেও, রাখি সামাজিকভাবে সম্প্রীতি ও সৌভ্রাতৃত্বের বার্তা বহন করে।
১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গ বিরোধী আন্দোলন হিসেবে, রবীন্দ্রনাথ অখন্ড বাংলা রক্ষায় সম্প্রতি এবং সৌভাতের ঐক্যবদ্ধতায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রাখি বন্ধনের প্রচার প্রসার এবং ব্যাপ্তি ঘটিয়েছিলেন।
স্বভাবতইএই উপলক্ষে স্কুল কলেজ সহ সরকারি বেসরকারি বিভিন্ন সংস্থা ছুটি । গতকাল ছিল মহরমের ছুটি।
কিন্তু ছোট ছোট শিশুদের নিবিড় বন্ধুত্ব বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকা শিক্ষা কর্মী এবং সহপাঠীদের সাথে। অথচ বিদ্যালয়ের ছুটি থাকার কারণে এই আনন্দে ভাগ করে নেওয়ার জন্য তাদেরকেই পায় না খুদে পড়ুয়ার। অভিভাবকদের কাছে এমনই আক্ষেপের কথা জানানোর পর, কচিকাচাদের মুখে হাসি ফোটাতে অভিভাবকরা দরবার করেছেন বিদ্যালয় শিক্ষক-শিক্ষিকাদের কাছে। সরকারি ছুটি বদল করা সম্ভব না তাই একদিন আগেই, রাখি বন্ধন উৎসব নদীয়ার শান্তিপুর দূর্গা মনি শ্রীপাঠশার প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। পঠন-পাঠনের শেষে একে অন্যকে রাখি পরিয়ে সৌভাতৃত্বের বন্ধনে আবদ্ধ হলেন সকলে।
অন্যদিকে গাইনপাড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ে, খুদে পড়ুয়ারাও খুশি, এ ধরনের ব্যবস্থায়। সেখানে ছাত্রছাত্রীরা বেশিরভাগই মাতোয়ারা ছিল গতকাল মহরমে, আজ আবারো রাখি পূর্ণিমার সূচনায় বাঁধ ভেঙেছে উচ্ছ্বাসের। রাখি বাজার পর দুই বিদ্যালয়েই ছাত্রছাত্রীদের লজেন্স বিতরণ করেন শিক্ষিক শিক্ষিকারা। তারা
জানান, ওদের খুশিতেই আমরা খুশি।