নিজস্ব প্রতিবেদন, মৌমিতা দেবনাথ,
ধরা পড়তেই হাউমাউ করে কেঁদে নিজের প্রতারণা চক্রের কথা স্বীকার করলেন ক্লাস টু পাস ভুয়ো চিকিৎসক,চিকিৎসক হয়ে আই কার্ড গলায় ঝুলিয়ে দিনের পর দিন ভুয়ো চিকিৎসা করে যাচ্ছিলেন জলপাইগুড়ির রংবাজ শেখ। শিক্ষাগত যোগ্যতা তার মাত্র ক্লাস টু পাস আর তাতেই দীর্ঘদিন রোগীদের আয়ুর্বেদিক ওষুধের চিকিৎসা করে যাচ্ছিলেন। ধরা পড়তেই হাউমাউ করে কেঁদে ভাসালেন ওই ব্যক্তি। রংবাজ শেখের বাড়ি মুর্শিদাবাদে। জলপাইগুড়ির ডুয়ার্সের বিভিন্ন এলাকায় মানুষদের ওষুধ দিতেন তিনি। কিন্তু হঠাৎই তার প্রতারণা চক্র ধরতে পারেন গয়ের কাটার সুভাষপল্লীর বাসিন্দা বিশ্বজিৎ রায়। তার বছর ছয়েকের ছেলে বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশু। বিভিন্ন ডাক্তারের কাছে দেখিয়ে মেলেনি কোন ফল অবশেষে তিনি নাম শোনেন এই রংবাজ শেখের। সেই মতো তিনি ওই ভুয়ো চিকিৎসকের কাছে যান আর যাওয়া মাত্রই কিছু আয়ুর্বেদিক ওষুধ তাকে লিখে দেয় এবং সে ওষুধের দাম ধার্য করে ২৮ হাজার টাকা। তখনই বিশ্বজিৎ রায়ের সন্দেহ হয় এবং তিনি ইন্টারনেটে সার্চ করতেই বেরিয়ে এলো আসল তথ্য। এরপর ওই চিকিৎসককে ওষুধ নেওয়ার বাহানায় বাড়িতে ডাকেন আর তখনই পাড়া-প্রতিবেশীদের ডেকে সকলের সামনে তার পর্দা ফাঁস করা হয়। ধরা পড়তেই ক্যামেরার সামনে হাউমাউ করে কেঁদে ভাসালেন ওই ভুয়ো চিকিৎসক। জানালেন আর জীবনে কখনোই তিনি এই কাজ করবেন না। নিজের মুখেই নিজের প্রতারণা ফাঁদের কথা স্বীকার করলেন তিনি। আপাতত ওই ব্যক্তি পুলিশি হেফাজতে আছেন।

