আবারো দুষ্কৃতীদের দৌরাত্ম্য শান্তিপুর ১৮ নম্বর ওয়ার্ডে, একরাত্রে চারটি গাড়ি এবং বাড়ি ভাঙচুর সিসি ক্যামেরা খুলে নিলো তারাই
মলয় দে নদীয়া:- নদীয়ার শান্তিপুর শহরের ১৮ নম্বর ওয়ার্ড আবারও উত্তপ্ত হয়ে উঠল দুষ্কৃতীদের দৌরাত্ম্যে। গতকাল রাতে, আগ্নেয় অস্ত্র অন্যান্য অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে, হামলা করে দুটি পৃথক এলাকার তিনটি বাড়িতে।
এর আগেও একাধিকবার ভোট এবং বিভিন্ন উৎসবের সময় ওই দুষ্কৃতীদের তান্ডব সামাল দিতে জেলা প্রশাসন পর্যন্ত উপস্থিত হয়েছিলেন ঘটনাস্থলে।
রাজপুত পাড়া লেনের বাসিন্দা ইমরান খালিফা, বলেন তিনি এর আগে জুয়ো সাট্টার প্রতিবাদ করেছিলেন, এলাকায় একটি ন্যায্য মূল্যে জমি কেনা সত্ত্বেও ওই দুষ্কৃতীদের তোলাবাজি দিইনি বলেই হয়তো আমার গাড়ি ভাঙচুর করেছে।
মৌচাক কলোনির বাসিন্দা অজয় দত্তর দুটি চারচাকা গাড়ি, সারা বছরই পাড়ার একটি ছোট মাঠে রাখা থাকে, তাই নিয়ে এলাকাবাসী বা ক্লাবের কোন আপত্তি নেই। তবে দুটি গাড়িই ভাঙচুরের পেছনে কোন কারণ খুঁজে পাচ্ছেন না তিনি, কে বা কারা করেছে সে প্রসঙ্গে তিনি বলেন, দুটি ছেলে তার বাড়িতে আজ সকালে চড়াও হয়ে হুমকি দিয়ে এসেছে থানায় অভিযোগের নাম বাতিলের জন্য। সে ঘটনাও শান্তিপুর থানায় জানিয়েছি।
মৌচাক কলোনির অপর এক বাসিন্দা রুপা দেবনাথ, তার বাড়ি ভাঙচুর এবং সিসি ক্যামেরা খুলে নেওয়ার পেছনে দুষ্কৃতীদের তান্ডবের প্রমাণ লোপাট করার জন্যই এ কাজ করেছে বলে মনে করছেন তিনি। কারন হিসাবে তিনি বলেন বৃদ্ধ শাশুড়িকে , সেই রাত্রে জানলা দিয়ে ধারালো অস্ত্র দেখিয়ে এবং গুলি করে দেওয়ার হুমকি দিয়ে সিসি ক্যামেরা খুলে নেয়। শাশুড়ি সেই থেকে আজ পর্যন্ত কানলা হাসপাতালে গুরুতর আশঙ্কাজনক অবস্থায় ভর্তি, স্বামী ব্যস্ত তাকে নিয়ে, যথেষ্ট মধ্যে দিন কাটাচ্ছি। এর আগেও একবার এভাবে সিসি ক্যামেরা খুলে নেওয়া হয়েছিলো।
স্থানীয় ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর নরেশ লাল সরকার, বলেন ওই কয়েকজন দুষ্কৃতী এর আগেও তাণ্ডব চালিয়েছে, আমি নিজে গিয়ে ঘটনাস্থল দেখে এসেছি। শান্তিপুর থানার বড় বাবুর সাথে কথা হয়েছে বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখার জন্য।, এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন শাসক দলের সাথে বেশিরভাগ এ ধরনের দুষ্কৃতীরা যোগাযোগ করে।তবে আমার ওয়ার্ডে সাধারণ মানুষের স্বার্থে দলের কোন সান্নিধ্য কখনোই পাবে না তারা।

