নিজস্ব প্রতিবেদন,মৌমিতা দেবনাথ,
অভিষেকের নজরে পূর্ব মেদিনীপুর,২৪ ঘন্টায় গ্রেফতার তিন নেতা
পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে শাসক শিবিরে চলছে দল পরিস্কারের কাজ। দলে থেকেও যারা দলের হয়ে কাজ করছে না, তাদের দলে রাখা হবে না আগেই হুংকার দিয়েছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। কাঁথি জনসভা থেকেও সেখানকার পঞ্চায়েত প্রধানের বিরুদ্ধে অভিযোগ আশায় ২৪ ঘন্টার মধ্যে তাকে ইস্তফার নির্দেশ দেন। তারপরের কেন্দ্র ছিল রানাঘাট রানাঘাট জনসভা থেকে চাকদাহে তাতলার এক নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধানকে পদত্যাগ করতে বলেন। আর এরপর তার নজরে পূর্ব মেদিনীপুর জেলার তিন নেতা। হলদিয়ার প্রাক্তন কাউন্সিলর প্রশান্ত দাস, শান্তিপুর পঞ্চায়েত প্রধান সেলিম আলী, এবং শহীদ মাতঙ্গিনী সমিতির প্রাক্তন সভাপতি দিবাকর জানা। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় নির্দেশে দল এভাবে একের পর এক ব্যবস্থা নেবে। যার জন্য শুরু হয়েছিল এক ডাকে অভিষেক নীতি। তবে ঘটনা চক্রে ওই তিন নেতারই উত্থান হয় শুভেন্দু অধিকারীর হাত ধরে। প্রাক্তন কাউন্সিলর প্রশান্ত এবং সেলিমের যোগসূত্র সিপিএম থেকে। এবং দিবাকর জানা শুভেন্দু অধিকারীর ঘনিষ্ঠ বলে একের পর এক দুর্নীতিমূলক কাজকর্ম করে যাচ্ছিলেন। তাদের পদত্যাগ করার পর দিনই গ্রেফতার হন। তমলুক সাংগঠনিক জেলা তৃণমূল সভাপতি সৌমেন মহাপাত্র জানিয়েছেন এই পদক্ষেপকে স্বাগত। দল থেকে এই সমস্ত বিরোধীরা বেরিয়ে গেলে দলে স্বচ্ছতা ফিরবে এবং পঞ্চায়েত ভোটের ফলাফল আরো ভালো হবে। পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে যেভাবে একের পর এক পঞ্চায়েত প্রধান এবং নেতারা দল থেকে ছাটাই হচ্ছে তাতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্য তৃণমূল কংগ্রেস এবার থেকে জিরো টলারেন্স নীতি নিয়ে চলবে।

