অন্যান্য রাজ্যের তুলনায় পিছিয়েছে পশ্চিমবঙ্গের নাম

সরকারি প্রকল্পে জব কার্ড ও আধার কার্ড সংযুক্তির কাজ ১০০ শতাংশ হয়নি একাধিক জেলায়।
রাজ্য জুড়ে দেখা গিয়েছে সংযুক্তির কাজ হয়েছে মাত্র ৭৮.৬০ শতাংশ। যার ফলে অন্যান্য রাজ্যের তুলনায় পিছিয়েছে পশ্চিমবঙ্গের নাম। জেলাগুলিকে ‘পারফর্ম্যান্স’-এ জোর দেওয়ার কড়া নির্দেশ দিয়েছে নবান্ন।
পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে আরও একবার রাজ্য জুড়ে ‘দুয়ারে সরকার’ করার ভাবনা নবান্নের। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ‘দিদির সুরক্ষাকবচ’ কর্মসূচির উদ্বোধনে বলেছিলেন, এই প্রকল্প ‘দুয়ারে সরকার’-এর মতোই। চালু হয়েছিল ‘দিদির দূত’ কর্মসূচি এবং অ্যাপ।
মোট সাড়ে ৩ লক্ষ ‘দিদির দূত’ ব্যাচ, ব্যান্ড পরে ক্যালেন্ডার নিয়ে পৌঁছে যাচ্ছেন ১০ কোটি মানুষের বাড়ি। গত ১১ জানুয়ারি থেকে চালু হয়েছে ‘দিদির দূত’ অ্যাপ। তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, অ্যাপে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের যে কোনও সভা বা
কর্মসূচি দেখা যায় সরাসরি। এর মাধ্যমে যে কেউ সরাসরি বার্তা পাঠাতে পারেন মুখ্যমন্ত্রীকে। দিতে পারেন নিজের মতামত। তৃণমূলের সমস্ত খবরই বিস্তারিত ভাবে থাকে এই অ্যাপে। বিভিন্ন তথ্য তুলে ধরা হয় গ্রাফিক্স, ভিডিও এবং ছবির মাধ্যমে। যোগাযোগ করা যায় শীর্ষ থেকে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে। অভিষেক বার্তা ছিল, ‘আপনার স্মার্ট ফোনকে আজই অস্ত্রে পরিণত করুন’।
সরকারি প্রকল্পে প্রয়োজন কার্ড সংযুক্ত করা। তবে নবান্নের নির্দেশ স্বত্ত্বেও দেখা গিয়েছে ‘ঢিলেমি’ করেছে একাধিক জেলা। এতেই ক্ষুব্ধ নবান্ন। কড়া নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।