নদিয়ার কৃষ্ণনগরে আবারো তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব এলো প্রকাশ্যে, গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের জেরে আহত দুই পক্ষের তিনজন
মলয় দে নদীয়া :-আবারো প্রকাশ্যে তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব কৃষ্ণনগরে। গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব নিয়ে বিগত দিনে কৃষ্ণনগরে প্রশাসনিক বৈঠকে এসে মূলত জেলা নেতৃত্ব কে হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ কে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে আবারো গোষ্ঠী কোন্দল কৃষ্ণনগরে। ঘটনার সূত্রপাত জেলা সভাপতি জয়ন্ত সাহার অনুগামী ও তৃণমূল নেতা শিশির কর্মকারের অনুগামীদের মধ্যে গোষ্ঠী কোন্দল। স্থানীয় সূত্রে খবর দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক ক্ষমতা দখলকে কেন্দ্র করে এই গোষ্ঠী কোন্দল। ঘটনার সূত্রপাত গতকাল রাতে দুধ বিক্রি করে বাড়ি ফিরছিলেন বাড়ি ফিরছিলেন তৃণমূলের কর্মী সমর্থক। দুধ বিক্রি করে বাড়ি ফেরার পথেই তাদেরকে ঘৃণা করে অপর তৃণমূল সমর্থকরা। তারপরেই একে অপরের উপর আগ্নেয়াস্ত্রসহ হামলা চালায়। এই কোন গোষ্ঠী কোন্দলের জেরে দুই পক্ষেরই তিনজন গুরুতর আহত হয়। তড়িঘড়ি আহতদের উদ্ধার করে কৃষ্ণনগর শক্তিনগর হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যায়। এই ঘটনায় রীতিমতো চাঞ্চল্য ছড়ায় এলাকায়। আতঙ্কিত এলাকার মানুষ। যেখানে মুখ্যমন্ত্রীর করা নির্দেশ দিয়েছিলেন নদিয়া জেলা তৃণমূল নেতৃত্বকে। মুখ্যমন্ত্রীর এই নির্দেশিকা কে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে আবারো দলের অভ্যন্তরে বড়োসড়ো গোষ্ঠী কোন্দল। আগামী দিন রয়েছে পৌরসভা নির্বাচন তার আগেই এই গোষ্ঠী কোন্দল অনেকটাই অস্বস্তিকর বাতাবরণ সৃষ্টি হচ্ছে তৃণমূল অভ্যন্তরে। তৃণমূলের এই গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব নিয়ে আক্রমণ করতে ছাড়েনি বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলো। বিজেপির তরফ থেকে দাবি শান্ত কৃষ্ণনগর কে বারংবার অশান্তির বাতাবরণ সৃষ্টি করছে শাসক দল তৃণমূল। বিগত দিনেও একাধিকবার তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দলের জেরে শান্ত কৃষ্ণনগরকে অশান্তির বাতাবরণের সৃষ্টি করেছে। শুধুমাত্র রাজনৈতিক স্বার্থে তৃণমূল দলটি বারংবার গোষ্ঠী কোন্দল সৃষ্টি করে সাধারণ মানুষের মধ্যে ভয়ের সঞ্চার করছে। আগে মানুষ যেমন নকশাল রাজকে ভয় পেত, সেই নকশাল রাজই তৃণমূলের আমলে আবার ফিরে আসছে রাজনৈতিক স্বার্থে। সাধারণ মানুষ প্রতিনিয়ত তৃণমূলের গোষ্ঠী দ্বন্দ্বের জেরে, তৃণমূলের রাজনৈতিক স্বার্থের জেরে আতঙ্কে রয়েছে।

