মলয় দে নদীয়া :- নদীয়ার অন্যান্য শহরের মত বহু প্রাচীন শান্তিপুর শহরের তেমন কোনো ঝাঁ-চকচকে উন্নয়ন চোখে পড়েনি এযাবৎকাল। গতানুগতিক ভাবে বিভিন্ন উন্নয়ন হয়ে থাকলেও সম্প্রতি পৌরসভার পৌর প্রশাসক মন্ডলী এবং সদ্য নির্বাচিত বিধায়কের কথায় একাধিকবার উঠে এসেছে শহর সাজানোর বিষয়। চলতি মাসের মধ্যে 39 টি হাই মার্স লাইট শহরের বিভিন্ন প্রান্তে উদ্বোধন করা হলেও, শহরের মূল প্রবেশদ্বার শান্তিপুর গোবিন্দপুর বাইপাস দীর্ঘ এক বৎসর যাবৎ সন্ধ্যের পর নেবে আসেন নিশুতি রাত। আশেপাশের দুই একটি দোকানের আলো এবং দুরন্ত গতিতে ছুটে আসা কিছু গাড়ির হেডলাইটের আলো ছাড়া চোখে পড়ে না কিছুই। রাত দুটো পর্যন্ত সরকারি বেসরকারি বাস জাতীয় সড়ক থেকে শহরের মুখে নামিয়ে দিয়ে গেলে দিশাহীন হয়ে পড়েন যাত্রীরা। পূর্বের সাংসদ ড: তাপস মন্ডল তার সংসদ তহবিল থেকে, একটি হাই মার্স লাইট বসিয়ে স্থানীয় বাবলা পঞ্চায়েতের উপর বিদ্যুৎ বিলের দায়িত্ব দেন। ঘটা করে তা উদ্বোধন হলেও, রাস্তা খোঁড়াখুঁড়ি সময় বিকল হওয়া এই লাইটের খোঁজ নেননি কেউ। অথচ স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্য প্রাক্তন কাউন্সিলর জেলা পরিষদের সদস্য পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য প্রত্যেকেই যাতায়াত করেন ওই অন্ধকারের মধ্যে দিয়েই। স্থানীয় টোটো চালক এবং দোকানদাররা জানিয়েছেন, এ বিষয়ে তারা বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ জমা করা এবং সংবাদমাধ্যমে দৃষ্টি আকর্ষণ করা সত্ত্বেও কোন হেলদোল নেই প্রশাসনের। কিছুদিন আগে বিধায়ক ব্রজকিশোর গোস্বামী জানান শান্তিপুরের প্রবেশদ্বার এবং বাহির পথ গোবিন্দপুর ও ঘোড়ালিয়ায় দুটি তরুণ নির্মাণের জন্য পৌরসভার সাথে কথা হয়েছে। তবে দীর্ঘদিন অন্ধকার থেকে পথচারী জনসাধারণকে আলো দেখানোর জন্য আমরা জানতে চেয়েছিলাম বিধায়ককে, তিনি পঞ্চায়েতের সাথে কথা বলে অবিলম্বে ব্যবস্থা নেবেন বলে জানিয়েছেন আমাদের।

