গতবছরের তিক্ত অভিজ্ঞতা ভুলে আশায় বুক বেঁধে ঝাকা ঝুড়ি বুনে চলেছেন শান্তিপুরের 22 টি পরিবার

 

মলয় দে নদীয়া:- নদীয়ার শান্তিপুর গোবিন্দপুর জাতীয় সড়ক সংলগ্ন এলাকায় বসবাসকারী 22 টি পরিবারের মূল উপার্জন ঝাঁকা ঝুড়ি বুনে তা বিক্রি করা। তল্লা বাঁশ ফেড়ে তা দিয়ে মুরগির খাঁচা কুলো, ঝুড়ি ,ঝাঁকা, ধামা চুপড়ি মাছ ধরা বৃত্তি নানান প্রয়োজনীয় জিনিস বানিয়ে থাকেন তারা। এরমধ্যে মুরগির খাঁচা, এবং ঝাঁকা সবচেয়ে বেশি পরিমাণ বিক্রি হয় বলে জানালেন, বুননকার রা। আগামী বৈশাখ জ্যৈষ্ঠ মাসে আমের বাগানে সর্বাধিক ব্যবহৃত ঝাকা বাড়ানোর অর্ডার পড়ে একসময়।
গত বছরের অগ্রহায়ণ পৌষ মাস থেকে সামান্য অর্ডারের টাকা এবং মহাজনের কাছ থেকে বড় অংকের টাকা চড়া সুদে টাকা নিয়ে, দিনরাত এক করে ঝুড়ি বুনি জমিয়েছিলেন আশায়। কিন্তু লকডাউন এ যোগাযোগ ব্যবস্থা বন্ধ থাকার ফলে, আম রপ্তানি হয়নি বাইরের রাজ্যে। ফলে অনেকেই অর্ডার দেওয়া ঝুড়ি ঝাঁকা নিতে আসেন নি। 120 টাকার ঝাঁকা অর্ধেক দামে দেওয়ার লোক পাওয়া যায়নি। অন্যদিকে বিপুল পরিমাণ উৎপন্ন ঝাঁকা রাখার জায়গা ছিলো না, ফলে জলের দামে বিক্রি হয়েছে। তবে এবার আগাম বানিয়ে রাখতে চাইছেন না তারা, অর্ডার অনুযায়ী বানানোর মনস্থির করেছেন। বাঁশের দামও বেড়েছে ব্যাপক। তাই লভ্যাংশ গিয়েছে কমে, নেই কোনো সরকারি সহায়তা, এরকম নানান দুঃখের কথা আমাদের জানালেন তারা।