জলপাইগুড়ি শহরে টোটোর ন্যূনতম যাত্রীভাড়া বৃদ্ধি, করোনা পরিস্থিতিতে লকডাউন সময়কার বিদ্যুৎ বিল মুকুব, বন্ধনসহ বিভিন্ন ঋণদানকারী সংস্থা থেকে নেওয়া ঋণের সুদ মুকুব, নির্দিষ্ট এলাকার মধ্যে বসবাসকারী পরিচিতি পত্রবিহীন টোটোচালকদের অবিলম্বে পরিচিতিপত্র দেওয়া সহ বিভিন্ন দাবিতে বৃহস্পতিবার জলপাইগুড়ি পৌরসভায় স্মারকলিপি দিল সিআইটিইউ অনুমোদিত ই- রিকশা চালক ইউনিয়নের সদস্যরা/
জলপাইগুড়ি শহরে টোটোর ন্যূনতম যাত্রীভাড়া ২০১৩ সালে প্রথম টোটো চালুর সময় ছিল ১০ টাকা/ এই ভাড়া টোটোচালকরা নিজেরাই ঠিক করেছিলেন/ এখনও টোটোর ন্যূনতম যাত্রীভাড়া ১০ টাকাই রয়ে গিয়েছে/ যেখানে বিগত ৭-৮ বছরে সমস্ত নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের দাম বেরেছে বহুগুন/ টোটোর ব্যাটারী চার্জ করার জন্য প্রয়োজনীয় বিদ্যুতের দাম বেরেছে কয়েকগুন/ ফলে ন্যূনতম ভাড়া বৃদ্ধির দাবী বৃহস্পতিবার জানিয়েছেন টোটোচালকরা।
এদিন বড় পোস্ট অফিস মোড়ে জমায়েত হয়ে টোটোচালকরা মিছিল করে জলপাইগুড়ি পুরসভায় গেটে পৌছে দীর্ঘক্ষন বিক্ষোভ দেখান / পরে পৌরসভায় ডেপুটেশন দেওয়া হয় / সিআইটিইউ সমর্থিত টোটো চালকদের সংগঠন ই- রিকশা চালক ইউনিয়নের পক্ষ থেকে শুভাশিস সরকার, অনিল রায়, তোতাই কর, দুলাল রায়, মানিক কুন্ডু, সুবরন সরকার স্মারকলিপি নিয়ে পৌরসভার এক্সিকিউটিভ অফিসারের সঙ্গে আলোচনা করেন / ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন কোতোয়ালি থানার আইসি অর্ঘ্য সরকার এবং সদর ট্রাফিক ওসি বাপ্পা সাহা। স্মারকলিপি দিয়ে বাইরে বেরিয়ে ই- রিক্সা চালক ইউনিয়নের জলপাইগুড়ি জেলা সম্পাদক শুভাশিস সরকার জানান পৌরসভাকে ৭ দিন সময় দেওয়া হয়েছে/ টোটোর ন্যূনতম যাত্রীভাড়া বৃদ্ধি না হওয়া পর্যন্ত লড়াই চলবে /

