শিল্পকর্মের যোগ্য উত্তরসূরি মিলছে না উপযুক্ত পারিশ্রমিকের অভাবে

 

মলয় দে নদীয়া :- স্মৃতিসৌধ হোক বা ধর্মীয় উপাসনালয়, অথবা লাইব্রেরী মহাশ্মশান কিংবা কোনো প্রশাসনিক ভবন সকলের কাছে পরিচয় করাতে এবং আগামী প্রজন্মের জন্য “নাম” “স্থাপিত সন” প্রভৃতি লেখা হয়ে থাকে, যা মূল বিষয়কে অনেকটাই আকর্ষক করে তোলে। আর শান্তিপুরে এই ধরনের শিল্পী বর্তমানে খুবই কম। আমরা খোঁজ পেয়েছিলাম এই রকমই এক গুণী শিল্পীর পটেশ্বরী স্ট্রিটের বাসিন্দা দুলাল পাল। পদবী পাল হলেও তার পরিবারে কখনো কেউই শিল্পকর্মের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না। ছোটবেলা থেকেই তিনি রংতুলি থার্মোকল দিয়ে ব্যানার ফেস্টুন দোকানের সামনের বিজ্ঞাপন, বিভিন্ন কোম্পানির বিজ্ঞাপন, বিয়ের পিঁড়ি, বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের সাজসজ্জা, বিভিন্ন পূজা মন্ডপ সাজ সজ্জা এ ধরনের কাজ করতেন কারোর কাছ থেকে না শিখেই। যদিও পেশায় তিনি ডাকঘরের স্বল্প সঞ্চয় এজেন্ট, কারণ শিল্প কর্মের উপযুক্ত পারিশ্রমিক মেলেনা, জেতুকু করা তা শুধুই মনের তাগিদে পেট ভরে না এমনটাই জানালেন আমাদের। নিজের একমাত্র সন্তান হোক বা অন্য কেউ যোগ্য উত্তরসূরী হিসাবে খুঁজে পাননি কাউকে এখনো। তিনি বলেন এ ধরনের শিল্প কর্মের উপর ঝোঁক না থাকলে, শেখানো সম্ভব হয় না। কম্পিউটার এবং বিজ্ঞানের উন্নতিসাধনের ফলে, হাতের কাজের কদর কমেছে অনেকটাই। তবে অত্যন্ত গর্বের বিষয় আগামীতে আমার তৈরী শিল্পকর্মগুলি মূল বিষয়ের সাথেই জড়িত থাকবে বহু বছর। ফটক, গেট, স্মৃতিসৌধ, গুরুত্বপূর্ণ অফিস, বিভিন্ন বিদ্যালয়গুলিতে আমার তৈরি শিল্পকর্মে প্রথমেই চোখে পড়বে এ আমার সৌভাগ্য।