নদীয়ার শান্তিপুর উপনির্বাচনে এতোটুকু সময় নষ্ট না করে, হারানো জমি ফিরে পেতে মরিয়া তৃণমূল কংগ্রেস সকলকে পেছনে ফেলে প্রচারে নেমে পড়লো আগেভাগেই

 

মলয় দে নদীয়া:- নির্বাচন কমিশন আগামী 30 তারিখ যে চারটি কেন্দ্রের উপনির্বাচনের ঘোষণা করেছে তারমধ্যে নদীয়ার শান্তিপুর অন্যতম । এতটুকু সময় নষ্ট না করে হারানো জমি পুনরুদ্ধারে মরিয়া হয়ে অন্যান্য দলগুলিকে পেছনে ফেলে প্রচারের দিক থেকে সবার আগে কোমর বেঁধে ভোট ময়দানে নেমে পড়েছে তৃণমূল কংগ্রেস । এককালে কংগ্রেসের শক্ত ঘাঁটি তে পরপর পাঁচবার বিধায়ক হিসেবে জয়লাভ করেছিলেন অজয় দে। এরপর তৃণমূলে যোগদান করার পর 2016 সালে বিধানসভা নির্বাচনে কংগ্রেসের প্রার্থী অরিন্দম ভট্টাচার্যের কাছে বড়োসড়ো মার্জিনে হারাতে হয়েছিলো তৃণমূল প্রার্থী অজয় দে কে। গত 2021 এ নির্বাচনেও বিজেপি সাংসদ জগন্নাথ সরকারের কাছে তৃণমূলের টিকিটে পরাজিত হন তিনি। বিজেপির দলীয় নির্দেশে সাংসদ পদে বহাল থাকার কারণে বিধানসভায় বিধায়ক পদ থেকে পদত্যাগ করেন তিনি। এরপর শূন্যতা সৃষ্টি হয় শান্তিপুর বিধানসভায়। অন্যদিকে সম্প্রতি অজয় দেব মৃত্যুর পর, রাজনৈতিক অভিভাবকহীন হয়ে পড়ে শান্তিপুরের তৃণমূল কংগ্রেস। আর এরই মধ্যে ঘোলা জলে মাছ ধরতে নেমে পড়ে জেলার বিভিন্ন তৃণমূল নেতৃত্ব। ফলে তৃণমূলের মধ্যে সমন্বয়ের অভাব লক্ষ্য করা যায়।
আজ নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষিত হতেই, রানাঘাট দক্ষিণ সাংগঠনিক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি রত্না ঘোষ কর পৌঁছান শান্তিপুর তৃণমূল ভবনে। সেখানে প্রার্থীকে হবে তা জানা না থাকলেও, প্রতি কেন্দ্রেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রার্থী উল্লেখ করে পুরোনো, নতুন, দলের বিভিন্ন গণ সংগঠনের নেতৃত্ব দের মধ্যে সমতা ফেরানোর কড়া নির্দেশ দেন। এরপর সকলে ঐক্যবদ্ধ হয়ে শহরের বিভিন্ন অলিতে গলিতে প্রচারের উদ্দেশ্যে দলীয় সভাপতি কে সাথে নিয়ে দেওয়াল দখল এবং কিছু জায়গায় দেওয়ালে চুন লাগাতে দেখা গেলো, স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বদের।