অভিনেতা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের পূর্বসূরী স্থাপিত মন্দির বেদখল করার প্রচেষ্টার বিরুদ্ধে অভিযোগ ট্রাস্টি বোর্ড সদস্যর

মলয় দে নদীয়া :- শান্তিপুরের কৃতিসন্তান স্বাধীনতা সংগ্রামে জগদীশ চন্দ্রের পুত্র সুবোধ চন্দ্র মৈত্র সে আমলে ভারতবর্ষের অন‍্যতম প্রধান বিমান চালক ছিলেন। রাজ্যের মধ্যে প্রধান এবং অন্যতম কলকাতার দমদমের তার স্থাপিত এয়ার টেকনিক্যাল ইনস্টিটিউট যা বর্তমানে বিখ্যাত এস সি মৈত্র টেকনিক্যাল ইনস্টিটিউট বৈমানিক শিক্ষা কেন্দ্র হিসাবে পরিচিত ।
পিতৃদেবের নামাঙ্কনে তার পৈতৃক ভিটে শান্তিপুর তামাচিকা পাড়ায়, পার্থসারথি শ্রীকৃষ্ণ, ভোলা মহেশ্বর এবং মা কালীর একটি সুবিশাল মন্দির স্থাপন করেছিলেন । পুত্র সন্তান না থাকায় কৃষ্ণা চ্যাটার্জী এবং রত্না অধিকারী কলকাতা থেকেই শান্তিপুরের বিশিষ্ট নাগরিক এবং প্রশাসনিক ব্যক্তিবর্গ নিয়ে গঠিত ওই মন্দির একটি ট্রাস্টি বোর্ডের মাধ্যমে দেখভালের ব্যবস্থা করেছিলেন। কৃষ্ণাদবীর সন্তান অভিনেতা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়, স্বামী অভিনেতা বিশ্বজিৎ চট্টোপাধ্যায়। সুবোধ বাবুর খুড়তুতো ভাই শান্তিপুর নিবাসী সুবল মৈত্রর মৃত্যুর পর এত বড় মন্দির এর দেখভালের দায়িত্ব এড়িয়ে যান ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্যরা। অন্যদিকে সময়াভাবে প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় এই মন্দির দেখভাল করতে অসমর্থ হয়। সেই থেকে অবহেলিত হয় মন্দির। এই মন্দিরে দূর্গা পুজা সহ জাঁকজমকপূর্ণ বেশ কয়েকটি পূজা অর্চনায় শিশু অবস্থায় প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় এবং তার পিতা বিশ্বজিৎ চট্টোপাধ্যায় কে দেখা যেতো মাঝে মধ্যেই !বর্তমানে সেই মন্দির বেদখল হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন সে সময়ে ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য শংকরী প্রসাদ ভট্টাচার্য। ওই মন্দিরে নিয়মিত অন্য পাড়ার কিছু ছেলেদের আড্ডা, এবং মন্দিরের প্রতিকূল পরিবেশসৃষ্টি, অসামাজিক বিভিন্ন কাজকর্ম ,ইট বালি সিমেন্ট, চারচাকা গাড়ি রাখার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেন তিনি । তিনি জানান ,সম্প্রতি গত 12 ই আগস্ট রাতে মন্দিরের একটি প্রকাণ্ড লোহার গেট ভেঙে নিয়ে যায় এবং ঠাকুরের গায়ের বহনা বাসনপত্র চুরির চেষ্টা করে দুষ্কৃতীরা। শান্তিপুর থানায় জানানোর পর প্রশাসন দেখে যাওয়া সত্ত্বেও পুনরায় 13 তারিখ অর্থাৎ গতকাল আবারো আরেকটি লোহার গ্রিলের অপর একটি দরজা চুরি হয়। এ বিষয়ে তিনি জেলা প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন বলেই জানান।