বিশ্ব সর্প দিবসের দিনেও বনদপ্তরের উদ্ধারে বিলম্ব !আতঙ্কে এলাকাবাসী

মলয় দে নদীয়া :- বিশ্ব সর্প দিবসের দিনেও ঘরের ভেতর থেকে মাটি খুঁড়ে উদ্ধার, একের পর এক বিষাক্ত গোখরো সাপ! আতঙ্কে গোটা পরিবার। বিষাক্ত গোখরো সাপের কামড়ের বর্তমান হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ওই গৃহস্থবাড়ির 53 বছর বয়সী মহিলা সদস্যা। সকাল আটটায় বনদপ্তর এ খবর দিলেও দুপুর একটার পর এসে পৌঁছান তারা কালবিলম্বর কারণে বনদপ্তর এর গাফিলতি নিয়ে প্রশ্ন তুলছে এলাকাবাসী সহ পরিবার। ঘটনাটি শান্তিপুর ব্লকের বিহারিয়া মঠ পাড়া এলাকার জানা যায় ওই গৃহস্থবাড়িতে গতকাল দুপুর 2:30 নাগাদ দুটি গোখরো সাপের বাচ্চা লক্ষ্য করে সুমন জোয়াদ্দারের মা। খানিকটা সময় বাদে সুমন জোয়াদ্দারের মাকে ঘরের ভেতরে কিছু একটা কামড়ে দেয়, সুমন জোয়াদ্দারের মা চেঁচামেচি করতেই ছুটে আসে এলাকার লোকজন সহ সুমন জোয়ারদার। ছুটে এসে দেখে বিষাক্ত গোখরো সাপে কামড় দিয়েছে তার মাকে, তাৎক্ষণক বিষাক্ত গোখরো সাপের বাচ্চাটিকে প্লাস্টিকের জার বন্দি করে মাকে নিয়ে যায় শান্তিপুর স্টেট জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসকেদের চিকিৎসকের সুবিধার্থে। বর্তমান শান্তিপুর স্টেট জেনারেল হাসপাতালে ওই মহিলা চিকিৎসাধীন। শুক্রবার আবারো বেশ কয়েকটি গোখরো সাপের বাচ্চা কে ঘরের ভিতরে লক্ষ্য করে পরিবার এরপর , বনদপ্তর কে একাধিকবার ফোন করলেও কোন সদুত্তর না মেলায় অবশেষে স্থানীয় দুজন ব্যক্তিকে ডাকা হয়। তারা এসে গৃহস্থর ঘরের মাটি খুঁড়তে শুরু করে খোঁড়া মাত্রই বেরিয়ে আসে একের পর এক গোখরো সাপের বাচ্চা! যদিও এখনো পর্যন্ত 11 টি গোখরো সাপের বাচ্চা উদ্ধার হয়। পরিবারের অভিযোগ সকাল থেকে বেশ কয়েকবার বনদপ্তরে ফোন করা হয় প্রায় চার ঘণ্টা বাদে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয় বনদপ্তর এর কর্মীরা, তাও তারা শুধুমাত্র উদ্ধার করে নিয়ে যাবেন গর্ত খুঁড়ে সাপ বের করতে পারবেন না। স্বভাবতই বনদপ্তর এর ভূমিকায় যথেষ্টই ক্ষোভ উগরে দেয় পরিবারসহ এলাকার লোকজন তবে বনদপ্তরের কর্মীদের প্রশ্ন করলে তারা বিভিন্ন ধরনের অজুহাত দেখিয়ে দায় এড়িয়ে যান। এ বিষয়ে অবশ্য বনদপ্তরের আগন্তুক ঐ কর্মী জানান , সকাল থেকে বিভিন্ন কাজে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে বনদপ্তর এর কর্মীরা তাই সময় মত আসতে পারিনি ঘটনাস্থলে এখন এই বিষাক্ত গোখরো সাপের বাচ্চা গুলিকে উদ্ধার করা হয়েছে মাটি খননের পরে আরও যদি সাপ উদ্ধার হয় আমরা তারই অপেক্ষা করছি। তবে মাটি খুঁড়ে বের করার দায়িত্ব আমাদের নয়! বিষাক্ত গোখরো সাপের বাচ্চা গুলিকে বনদপ্তরের পক্ষ থেকে নিয়ে যাব।