মলয় দে নদীয়া :-
রাজনৈতিক ভাঙা-গড়ার খেলা চলছে সারা রাজ্য জুড়েই, বাদ গেলোনা নদীয়া শান্তিপুরও। তবে দলীয় কোনো নেতাকর্মী নয় ! শান্তিপুর বাগআঁচরা পঞ্চায়েতের ক্ষোদ প্রধান উপপ্রধান দু মাসের মধ্যেই তৃণমূলে থেকে বিজেপিতে এবং বিজেপি থেকে প্রত্যাগমন আবারো তৃণমূলে!
গতকাল নদিয়ার ধুবুলিয়ায় নদীয়া জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের চেয়ারম্যান উজ্জ্বল বিশ্বাস এর হাত থেকে দলীয় পতাকা নিয়ে ঘরে ফিরলো তারা। তাদের ঘরে ফেরাতে উদ্যোগী হতে দেখা যায়, নদীয়া জেলা তৃণমূল কংগ্রেস কমিটির সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য সাধন ঘোষ, শহর তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি অরবিন্দ মৈত্রকে। যদিও শান্তিপুর ব্লক থেকে কাউকে দেখা যায়নি এদিনের যোগদানের অনুষ্ঠানে।
এ ব্যাপারে প্রধান মমতা ধারা বলেন, অতীতে কংগ্রেস থেকে জয়ী বিধায়ক তৃণমূলে যোগদান করার পর, স্বাভাবিকভাবে আমাদের সাথে অত্যন্ত সুসম্পর্ক ছিলো, তিনি বিজেপিতে যোগদান করার পর তৃণমূলের জন্মলগ্ন থেকে দল করে আসা আমরা কোনো সিদ্ধান্ত বদল করেছিলাম না, কিন্তু প্রাক্তন বিধায়ক অজয় দে এবার বিধানসভায় টিকিট পাওয়ার পর আমাদের সাথে কোনোরূপ যোগাযোগ করেনি, বরং তাঁর ঘনিষ্ঠ যারা অতীতে তৃণমূলকে হারানোর জন্য নির্দল করেছে , তারাই পথে-ঘাটে আমাদের কটুক্তি করতো বিজেপি সন্দেহে। ক্রমাগত অপমান সইতে না পেরে অধৈর্য হয়ে, দল পরিবর্তন করেছিলাম, তবে আমরা অবশ্যই ভুল করেছিলাম। মানুষের কাছে কতটুকু বিশ্বাসযোগ্যতা হারালেন এ প্রশ্নে
উপপ্রধান সুজয় সরকার জানান, অতীতেও বিজেপিতে যোগদান করেছিলাম এলাকার মানুষদের নিয়ে গিয়ে, আবার ফিরেছি তাদের উপস্থিতিতেই।
সাধন ঘোষ জানান, 13 সদস্যের বাগআঁচড়া পঞ্চায়েতের তিনজন নির্দল নির্দল, তিনজন বিজেপি এবং সাত জন তৃণমূল টিকিটে জয়ী হয়েছিলেন, তাই পঞ্চায়েতের উপর কোন প্রভাবই পড়েনি। তবে রাজনীতিতে অভিমান হতেই পারে তাই বলে অন্য দলে যাওয়া আমি সমর্থন করি না, ভুল বুঝে ফিরে এসেছে স্বাগত জানাই।

