কিছুদিন আগে ফ্রন্টলাইন ওয়ার্কার হিসাবে 24 ঘন্টা জীবনদায়ী ঔষধ পরিষেবা দেওয়া দোকানদারদের ভ্যাকসিনের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেছিলাম আমরা। আর খবরের জেরেই মূলত নড়েচড়ে বসে ছিল প্রশাসন! জেলায় অনেকেই পেতে শুরু করেছেন ভ্যাকসিন।
এবারে প্রদীপের তলায় অন্ধকার ধরা পড়েছে আমাদের সংবাদমাধ্যমে।
স্বল্প সঞ্চয় এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশন সারা ভারতবর্ষের মধ্যে একমাত্র সরকারি মান্যতার এজেন্ট। কিষান বিকাশড় রেকারিং, এনএসসি ,ট্রামডিপোজিট, এম আই এস নানান স্বল্প সঞ্চয় ব্যবস্থা, পৌঁছে দিতে বাড়ি বাড়ি যেতে হয় এই জেন্দের। কখনো আবার পোস্ট অফিসে, তাদের কাছেও বিভিন্ন প্রয়োজনে অনেকেই এসে থাকেন! অর্থাৎ সরাসরি প্রতিনিয়ত গ্রাহকদের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ। পোস্ট অফিসের অন্যান্য কর্মচারীরা ভ্যাকসিন পেলেও, তাদের কথা ভাবেনি কেউই! সংগঠনের নদীয়া জেলার সহ-সভাপতি অভিজিৎ চক্রবর্তী জানান,
“2000 সালের পর থেকে, এজেন্ট নিয়োগ হয়নি, স্বভাবতই প্রত্যেকেরই বয়স পঞ্চাশের কাছাকাছি, তাই আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনাও যথেষ্ট বেশি, এর আগেও আমরা সংগঠন গত ভাবে ভ্যাকসিন নেওয়ার ব্যাপারে আলোচনা করেছি, উচ্চ মহলে তবে ফল মেলেনি এখনো।
শান্তিপুরের অপর এক এজেন্ট দুলাল পাল জানান, পশ্চিমবঙ্গ সরকারের লাইসেন্সপ্রাপ্ত আমরা,আমাদের সমস্ত নথি পোস্ট অফিসে জমা থাকা সত্বেও, আমরা ব্রাত্য! অথচ প্রতিদিন নিয়মিত বিভিন্ন মানুষের সান্নিধ্য আসতে হচ্ছে, পরিষেবা চালু রাখার কারনে।

