মঙ্গলবার সকাল থেকে দীঘার সমুদ্র উত্তাল হয়ে ওঠে।

মঙ্গলবার সকাল থেকে দীঘার সমুদ্র উত্তাল হয়ে ওঠে। এদিন সমুদ্রে ব্যাপক জলোচ্ছ্বাস দেখা দেয়। বড় বড় ঢেউ তটে আছড়ে পড়ে। সঙ্গে মাঝে মাঝে দমকা হাওয়ার ঝাপটা দেয়। বড় ঢেউয়ের দাপটে গার্ডওয়াল টপকে সৈকত সরণি বেয়ে মূল রাস্তার দিকে সমুদ্রের জল চলে আসে। জলোচ্ছ্বাসের কারণে সৈকতের দোকানপাট আগেভাগেই বন্ধ করে দেন ব্যবসায়ীরা।
এদিন পর্যটকরা জলোচ্ছ্বাসের শোভা যেমন উপভোগ করেন, তেমনি গরমে গা ভিজিয়ে প্রাণ জুড়িয়ে নেন। গরমের ছুটি থাকায় দীঘায় পর্যটকদের ভালোই ভিড় রয়েছে। সেখানে সমুদ্রে জলোচ্ছ্বাস দেখে খুশি তাঁরা। তবে এদিন পুলিস-প্রশাসন সতর্ক ছিল। কাউকে সমুদ্রের কাছে যেতে দেওয়া হয়নি। পর্যটকরা পাড়ে বসেই জলোচ্ছ্বাস উপভোগ করেন। গার্ডওয়ালের ধারে দাঁড়িয়েই তাঁরা সমুদ্রের জলে গা ভিজিয়ে নেন।
ভাঙড় থেকে পরিবার নিয়ে দীঘায় বেড়াতে এসেছিলেন আবুল কালাম মোল্লা। তিনি বলেন, অনেকবার দীঘায় বেড়াতে এসেছি। তবে এবার জলোচ্ছ্বাস দেখে প্রাণটা সত্যিই জুড়িয়ে গেল। দীঘা থানার ওসি অভিজিৎ পাত্র বলেন, সৈকতে নুলিয়া তথা বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর সদস্যরা নজরদারি চালাচ্ছেন। পর্যটক কিংবা স্থানীয় বাসিন্দাদের কাউকে সমুদ্রের ধারে যেতে দেওয়া হচ্ছে না। পুলিসি নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।
এর আগে রবিবার দীঘা সহ উপকূল এলাকায় মাইকিং করা হয়। পর্যটক, স্থানীয় বাসিন্দাদের পাশাপাশি মৎস্যজীবীদের প্রাকৃতিক দুর্যোগ নিয়ে বিশেষভাবে সতর্ক করেছে প্রশাসন। সতর্কতায় বলা হয়েছে, সোমবার থেকে বুধবার পর্যন্ত উপকূল এলাকায় ঘণ্টায় ৫০-৬০কিমি গতিবেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টির সম্ভাবনাও রয়েছে। এই তিনদিন সমুদ্র উত্তাল থাকবে। তাই মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে।