চাতক পাখির মতো বৃষ্টির জন্য অপেক্ষা ক্রমশ দীর্ঘায়িত হচ্ছে।

pohela me prjonto bristi nei চাতক পাখির মতো বৃষ্টির জন্য অপেক্ষা ক্রমশ দীর্ঘায়িত হচ্ছে। প্রায় এক পক্ষকাল কালবৈশাখীর দেখা নেই। ১৭ এপ্রিল থেকে টানা চলছে তীব্র গরমের দাপাদাপি। এর মধ্যেই আবহাওয়া দপ্তর জানিয়ে দিল, চলতি তাপপ্রবাহ পরিস্থিতি থেকে আপাতত রেহাই নেই। আগামী ১ মে, বুধবার পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গে তীব্র থেকে সাধারণ তাপপ্রবাহ অব্যাহত থাকবে। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা আরও ১-২ ডিগ্রি বাড়বে। এই ক’দিন তাপপ্রবাহের ‘লাল সতর্কতা’ থাকছে দুই মেদিনীপুর, দুই বর্ধমান, বাঁকুড়া, ঝাড়গ্রাম ও বীরভূম জেলায়। কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গের বাকি জেলাগুলিতে থাকছে ‘কমলা সতর্কতা’। উত্তরবঙ্গের দুই দিনাজপুর ও মালদহ জেলায় মঙ্গলবার পর্যন্ত তাপপ্রবাহের ‘কমলা সতর্কবার্তা’ দেওয়া হয়েছে। জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার ও কোচবিহার জেলায় তাপপ্রবাহ না হলেও অস্বস্তিকর গরম থাকবে সোমবার পর্যন্ত। তবে হিমালয় সংলগ্ন পাঁচ জেলায় ১ মে পর্যন্ত বিক্ষিপ্তভাবে ঝড়বৃষ্টি হতে পারে।
পশ্চিম মেদিনীপুরের কলাইকুণ্ডায় শুক্রবার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৪৪.৭ ডিগ্রি। শনিবার তা আরও বেড়ে ৪৫.৮ ডিগ্রি হয়, যা রাজ্যে সর্বোচ্চ। পরপর দু’দিন কলাইকুণ্ডা দেশের মধ্যে উষ্ণতম কি না, খতিয়ে দেখছেন আবহাওয়াবিদরা। কলকাতায় শুক্রবারের তুলনায় এদিন সর্বোচ্চ তাপমাত্রা কিছুটা বেড়ে ৪১.১ ডিগ্ৰি হয়।
আবহাওয়াবিদরা বলছেন, টানা এতদিন দক্ষিণবঙ্গে তাপপ্রবাহ পরিস্থিতির নজির সাম্প্রতিক অতীতে নেই। বঙ্গোপসাগরে এই সময় উচ্চচাপ বলয় বা বিপরীত ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হয়। তার প্রভাবে বায়ুমণ্ডলে জলীয় বাষ্প প্রবেশ করে বজ্রমেঘ সৃষ্টি করে। এবার এখনও সেই পরিস্থিতি হয়নি। তবে আবহাওয়াবিদদের একাংশ বলছেন, মে মাসের ৩-৪ তারিখের পর দক্ষিণবঙ্গে ঝড়-বৃষ্টির পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে