সন্দেশখালীর ঘটনা ব্যাখ্যা করে একটি শান্ত গ্রামে অশান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করছে বিজেপি। নির্বাচনের আগে বিজেপির এই নোংরামো সহ্য করবে না তৃণমূল। মঙ্গলবার নদীয়ার শান্তিপুর থানার করমচাঁপুর গ্রামে ঘটে যাওয়া এক ঘটনায় এলাকার মানুষের সাথে সাক্ষাৎ করতে গিয়ে এই কথা বললেন শান্তিপুর ব্লক এ তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি সুব্রত সরকার। উল্লেখ্য দিন কয়েক আগে ওই গ্রামে নিশি রাত হলেই ঘরের জানালা দিয়ে উকি মারা ও বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগ নিয়ে মহিলাদের ঘরে ঢোকার অভিযোগ উঠেছিল এলাকারই এক ব্যক্তি প্রদীপ সরকারের নামে। এরপরেই গ্রামের মহিলারা একত্রিত হয়ে প্রতিবাদে স্বরব হয়েছিলেন, দ্বারস্থ হয়েছিলেন থানার, এরপর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। যদিও পুলিশ অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে আদালতে পেশ করলে ওই ব্যক্তি জামিনে ছাড়া পেয়ে যায়। অন্যদিকে এই ঘটনা জানাজানি হতেই ওই গ্রামে গিয়ে পৌঁছান রানাঘাট লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী জগন্নাথ সরকার, এরপর তিনি ব্যাখ্যা করেন সন্দেশখালীর মত ঘটনা এইখানেও ঘটেছে। মহিলাদের পাশে থাকার আশ্বাস দেন জগন্নাথ বাবু, কিন্তু এবার অভিযোগকারী মহিলাদের সুরেও শোনা গেল অন্য কথা। এখানে সন্দেশখালীর মতো কোনো ঘটনাই ঘটেনি। গ্রামের ব্যাপার পুলিশ প্রশাসনের প্রতি তাদের আস্থা আছে, এমনটাই দাবি করেন মহিলারা। এ প্রসঙ্গে তৃণমূলের ব্লক সভাপতি সুব্রত সরকার বলেন, একটি শান্ত গ্রামে অশান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করেছে জগন্নাথ সরকার, তৃণমূল কংগ্রেস সবসময় গ্রামের মানুষের পাশে আছে। পুলিশ এর সঠিক তদন্ত করছে আগামী দিনে যাতে এই গ্রামে আর কোন অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে সেদিকে করা নজর রাখবে প্রশাসন। তিনি এও বলেন, এখন এলাকায় যথেষ্ট শান্তি রয়েছে কোন রাজনৈতিক কারণে যদি আবার অশান্তি ছড়ানোর চেষ্টা হয় তাহলে তারা বরদাস্ত করবেন না

