সংসদের বাড়ির ঢোকার রাস্তায় এক হাঁটু কাদা! আর তা নিনেই নিয়েই শুরু হয়েছে, রাজনৈতিক কাদা ছোঁড়াছুঁড়ি

মলয় দে নদীয়া :-বর্ষার জল পড়তেই গ্রামেগঞ্জে বিভিন্ন রাস্তা নিয়ে এলাকাবাসীদের বিক্ষোভ চোখে পড়লেও নদীয়ার শান্তিপুর ব্লকের আরবান্দি ২ নম্বর পঞ্চায়েতের আরপাড়া গ্রামের এই রাস্তার হাল বেহাল হলেও নিরূত্তাপ সকলেই।
আর চুপ থাকবেন নাই বা কেনো! রানাঘাট তপশিলি কেন্দ্রের বিজেপি সাংসদ জগন্নাথ সরকারের বাড়িতে যাওয়ার রাস্তা, যিনি সারা লোকসভার উন্নয়ন করে বেড়াচ্ছেন। অন্যদিকে কিছুটা দূরে তৃণমূলের পঞ্চায়েত প্রধান অলিভিয়া সন্ন্যাসীর বাড়ি। তিনিও তার পঞ্চায়েতে উন্নয়নে কোথাও এতটুকু ফাঁক রাখেননি বিগত পাঁচ বছরে। সংসদের বাড়ির ঢোকার রাস্তায় এক হাঁটু কাদা! আর তা নিনেই নিয়েই শুরু হয়েছে, রাজনৈতিক কাদা ছোঁড়াছুঁড়ি।
তবে এ বিষয়ে সংসদ জগন্নাথ সরকার অভিযোগ করেছেন তিনি বিজেপি সাংসদ হওয়ার কারণেই নাকি তৃণমূল পঞ্চায়েত প্রধান এই রাস্তা সারানোর প্রয়োজন বোধ করেননি, তবে সম্প্রতি তিনি প্রধানমন্ত্রীর সড়ক যোজনার অন্তর্ভুক্ত করেছেন এই আড়পারা থেকে অদ্বৈত পাঠ পর্যন্ত। যা অল্প কিছুদিনের মধ্যেই কাজ শুরু হবে।
অন্যদিকে তৃণমূলের পঞ্চায়েত প্রধান অলিভিয়া সন্ন্যাসীর স্বামী অরবিন্দ সন্ন্যাসী জানান। এই রাস্তা কেন্দ্রে কংগ্রেস ক্ষমতায় থাকাকালীন জেলা পরিষদের সদস্য নিমাই চন্দ্র বিশ্বাস মঞ্জুর করিয়েছিলেন, সার্ভে মেজারমেন্ট হয়ে যাওয়ার পর, বিজেপি ক্ষমতায় এসে সে রাস্তা হয়নি। সংসদ জগন্নাথ সরকার এ বিষয়ে কোনো তদারকি করেননি শুধুমাত্র তৃণমূলকে বদনাম করার জন্য, এবং সংবাদ মাধ্যমে বিষয়টি তুলে ধরার জন্য। যদিও তিনি বলেন এবারে বোর্ড গঠনের পর, তারা এই রাস্তা করে দেখিয়ে দেবেন।
রাজায় রাজায় যুদ্ধ হয়, উলুখাগড়ার প্রাণ যায়! তাই অনেকে ক্যামেরার পেছনে নানান কথা জানালেও প্রকাশের মুখ খুলতে রাজি নন এলাকাবাসীর মধ্যে কেউই। তবে রাজনৈতিক তরজা বন্ধ হয়ে রাস্তার সংস্কার হোক তা চাইছেন সকলেই।