মলয় দে নদীয়া:- শান্তিপুর বেলঘড়িয়া ১ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের ২৪৫ নম্বর বুথে সিপিআইএম দলের প্রার্থী হেরে যাওয়ায় মানসিকভাবে ভেঙে পড়ায় অবশেষে আত্মহত্যার পথ বেছে নিলেন এবারের গ্রাম সভায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা অরবিন্দু প্রামানিক নামে এক দীর্ঘদিনের বামপন্থী নেতৃত্ব। জানা যায় এক নম্বর নতুন ফুলিয়ার বাসিন্দা অরবিন্দ প্রামাণিক দীর্ঘদিন সিপিআইএম দলের একজন একনিষ্ঠ কর্মী ছিলেন এছাড়াও বেলঘড়িয়া এক নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের তিনবার গ্রাম পঞ্চায়েতের সদস্য ও একবার পঞ্চায়েত সমিতিতে সিপিআইএমের প্রার্থী হিসাবে জয়লাভ করেছিলেন। এবছর নিজের ওয়ার্ডে মহিলা প্রার্থী হওয়ার কারণে পাশের ২৪৫ নম্বর বুথে গিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন পঞ্চায়েত নির্বাচনে। শান্তিপূর্ণভাবে ভোট মিটলেও ভোট গ্রহণ এবং পরবর্তীতে গণনায় অসন্তুষ্ট ছিলেন তিনি, এমনটাই জানিয়েছে পরিবার। গত ১১ তারিখ ভোটের ফলাফলের পর মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন অরবিন্দ প্রামাণিক। এরপরই পরের দিন অর্থাৎ ১২ তারিখ সকালে ঘাস মারার কীটনাশক খেয়ে আত্মহত্যা চেষ্টা করেন। তড়িঘড়ি পরিবারের লোকজন রানাঘাট মহাকুমা হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসার অবনতির হলে স্থানান্তরিত করা হয় কল্যাণী জহরলাল নেহেরু হাসপাতালে। পরিবার সূত্রে জানা যায় আজ সকালে হাসপাতালেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। এদিন সিপিআইএম পার্টি অরবিন্দ প্রামাণিকের মৃত্যুর খবর জানাজানি হতেই এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া। তবে পরিবারকে সমবেদনা জানাতে এবং তার প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে আজ এসে পৌঁছান স্থানীয় এবং ব্লক স্তরের সিপিআইএম নেতৃত্ব।

