মলয় দে নদীয়া :-প্রাক্তন নদীয়া জেলা পরিষদের সভাধিপতি। এবারেও তৃণমূলের পক্ষ থেকে জেলা পরিষদের প্রার্থী। ফুলিয়া অঞ্চলে বাড়ি হলেও মহিলা সংরক্ষিত হিসেবে হরিপুর গয়েশপুর এবং বাগআঁচড়া পঞ্চায়েত এলাকার নিয়ে তিনি নির্বাচনের প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তার বিরুদ্ধে বিজেপির প্রার্থী হরিপুরেরই বাসিন্দা শিলা হালদার। ওই একই এলাকার সিপিআইএমের প্রার্থী সরস্বতী হালদারও তার প্রতিদ্বন্দ্বী। জাতীয় কংগ্রেসের প্রার্থী শেফালী প্রামানিক অবশ্য তার নির্বাচন ক্ষেত্র এখানে হলেও তিনি বাসিন্দা হিসেবে ছিলেন বাবলা পঞ্চায়েতের আড়বলদা গ্রামের। যদিও তিনি প্রার্থী পদ প্রত্যাহার করেন তাই এখন ত্রিমুখী লড়াই।
প্রাক্তন সভাধিপতি রিক্তা কুন্ডু অবশ্য সিপিআইএম বিজেপিকে আলাদা চোখে দেখেন না, তিনি বলেন তারা একত্রিত হয়েও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উন্নয়নে বাধা দিতে পারবে না।
জেতার পর মাত্র কয়েকবার তার নির্বাচনক্ষেত্রে আসার যে অভিযোগ বিরোধীতা তুলেছে তা নস্যাৎ করে তিনি বলেন, এটা তৃণমূল কংগ্রেস দল পঞ্চায়েত সদস্য থেকে সমিতি জেলা পরিষদ সকলের আলাদা কাজ। কে কবার কোথায় এসেছে সেটা ঘটনা না, উন্নয়ন হয়েছে কিনা সেটাই দেখার। তবে সাধারণ মানুষ, রাস্তা আলো পানীয় জল খেলার মাঠ সবটাই পেয়েছে। সরকারি প্রকল্প মিলেছে বাড়িতে বসে, মানবিক রাজ্য সরকারের উন্নত চিন্তা ভাবনায়।
তাই বিভ্রান্ত ছড়িয়ে কোন লাভ নেই জয় শুধু সময়ের অপেক্ষা।
এদিন প্রার্থী হিসেবে রিক্তা কুন্ডু ভোট প্রার্থনা করেন মানুষের দরজায় দরজায় ঘুরে। কেউ খাওয়ালেন মিষ্টি, কেউবা দিলেন বসার জায়গা। গ্রাম সভা পঞ্চায়েত সমিতির প্রার্থীদের নিয়ে দিনভর প্রচার কার্যে ব্যস্ততা লক্ষ্য করা গেলো তার।

