মলয় দে নদীয়া:-
রাস্তা দিয়ে মানুষ চলাচল নয়! আশেপাশের বৃষ্টির এবং ড্রেনের জল নামছে একনাগরে। বছরের প্রথম বৃষ্টিতেই জল এবং কাদায় গৃহবন্দী দেড়শ পরিবার।
পঞ্চায়েত নয় ঘটনাটি,নদীয়ার শান্তিপুর শহরের ২২ এবং ২৩ নম্বর ওয়ার্ডের মধ্যস্থ এক নম্বর কলোনির রাধাকৃষ্ণ পল্লীর বিজয় সংঘ ক্লাবের আশেপাশে।
সেখানে একমাত্র খেলার মাঠ পাড়ার ছেলেরা মাটি কিনে নিয়ে এসে বাঁচানোর চেষ্টা করছে। শুধু কারিগর পাড়া এমনকি সূত্রাগর এলাকার জলে ধুয়ে তা মাঠেরও ক্ষতি করছে। ওই এলাকায় যাওয়ার দুটি রাস্তা একটি 23 নম্বর ওয়ার্ডের অপরটি 22 নম্বর ওয়ার্ডের।
এলাকাবাসীর দাবি এ বিষয়ে আজ থেকে কুড়ি দিন আগে শাহজাহান শেখ এবং বুলা খাতুন কারিকর এমনকি পৌরসভায় চেয়ারম্যান কেও পর্যন্ত আবেদন জানিয়েছেন আগাম বর্ষার সতর্কতা হিসেবে।
কিন্তু গতকাল থেকে এই অবস্থা হওয়ার পরেও দুই কাউন্সিলরের কেউই এসে দেখে যায়নি সমস্যা কি হয়েছে। অথচ ভোটের সময় থাকেনা কোন সীমারেখা ভাগ, দুজনেই একসাথে হাতজোড় করে চেয়েছিলেন ভোট। যদিও তা কেটে গেছে প্রায় দুই বছর। তবে এলাকাবাসীর কথায়, ২২ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর জয়ের পরে এখনো এই এলাকায় পায়ের ধুলো দেয়নি একদিনও। তাই তাদের দাবি কাদায় পা দেওয়ার।
আজ এলাকাতেই শতাধিক মহিলা পুরুষ সকলে একত্রিত হয়ে বিক্ষোভ দেখান। তারা বলেন অবিলম্বে দুই কাউন্সিলর এসে দেখা না করলে এবং পৌরসভা থেকে স্থায়ী সমস্যা সমাধান না করলে আগামীতে তারা গণ-বিক্ষোভে সামিল হবেন।
যদিও এ প্রসঙ্গে২৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রতিনিধি শাজাহান শেখ জানান, ওই এলাকাটি নিচু হওয়ার কারণে এ সমস্যা দীর্ঘদিনের। তবে এ ব্যাপারে তিনি ওই ইটের রাস্তাটি সিমেন্টের ঢালাই করার জন্য অনুমোদন পেয়েছেন। বর্ষার পরেই কাজ শুরু হবে। তবে যেহেতু নিচু জায়গা তাই মাঠ রক্ষা সহজ নয়। তবে অপর দিকের রাস্তা ২২ নম্বর ওয়ার্ডে তাই সেটা তিনিই বলতে পারবেন।
২২ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিল র বুলা খাতুন কারিকর প্রথমে তার নিজস্ব ভোটার এলাকা চিনতে না পারলেও পরবর্তীতে বলেন, তার সঙ্গে কেউ যোগাযোগ করেনি তবে মানুষ যে সমস্যায় রয়েছে তা শুনেছেন তিনি একদিন এর মধ্যে যেতে হবে।

