নদীয়ার শান্তিপুরে আবারো সততার নজির, এক টোটো চালকের

মলয় দে নদীয়া :- অন্যের জিনিস পেয়ে ফেরত দেওয়া এটাই স্বাভাবিক এবং চিরাচরিত।
তবে বর্তমান ইঁদুর দৌড়ের সমাজে, আরো বেশি ভালো থাকতে চেয়ে অনেক সময় তা হয়ে ওঠেনা হয়তো আর সেই কারণেই একের পর এক চুরি ঘটনা লিপিবদ্ধ হয় থানায়। অভাবে হোক বা স্বভাবে, চুরির প্রবণতা ক্রমশ বেড়েই উঠেছে। সংখ্যায় খুব কম হলেও সততার নজির যে নেই তা কিন্তু নয়।
আর সেই কারণেই সকলের মধ্যে অনুপ্রেরণা যোগাতেই আমাদের এই প্রতিবেদন।
নদীয়ার শান্তিপুর রেল স্টেশন থেকে, সপরিবারে প্রশান্ত বর্মন দু’নম্বর টোটো স্ট্যান্ডের সম্পাদক বিশ্বজিৎ পাড়ুইয়ের টোটো করে ফেরেন তার স্টিমার ঘাটের বাড়িতে।
শীতে রাখা দুটি ব্যাগের মধ্যে একটি নিয়ে যান অপরটি ভুলে যান, এরপর টোটো চালক অন্ধকারের মধ্যে ওই ব্যাগ না দেখতে পারলেও, ব্যগে থাকা ফোন বেজে ওঠে কিছুক্ষণ বাদেই ততক্ষণ তিনি আবার অন্য একটি ভাড়াতে চলে গিয়েছিলেন। ব্যাগটি ওই স্ট্যান্ডের প্রাক্তন সম্পাদক ইন্দ্রনীল পালের মাধ্যমে পৌঁছে দেন তিনি। এর মধ্যে থাকা দুটি মোবাইল বেশ কিছু দামি কাপড় এবং নগদ তিন হাজার টাকা ফেরত পেয়ে প্রশান্ত বাবু খুব খুশি। তিনি বলেন কাপড়ের পালিশের কাজ করেন তিনি, এগুলো হারিয়ে গেলে আর কেনা সম্ভব হতো না কোনদিন, তাই ফেরত পেয়ে খুব ভালো লাগছে।।
টোটো ইউনিয়নের শান্তিপুর শহরের সম্পাদক গৌতম দাস বলেন, টোটো চালকদের মধ্যে সততা এখনো বিদ্যমান, নদীর শুধু একটা নয় প্রতিমাসে প্রায় এমন ঘটনা ঘটতেই থাকে। হাজার অভাব অনটনের মধ্যেও তাদের নৈতিকতাকে কখনো বিসর্জন দেন না টোটো চালক ভাইয়েরা, কারণ তারা যাত্রীদের দেওয়া ভাড়ার উপার্জনে সংসার চালান। তাই তাদের খুশিই চালকদের খুশি।