মলয় দে নদীয়া :- গরম যতই বাড়ুক হাঁসফাঁস করুক প্রাণিকুল! অক্সিজেনের সিলিন্ডার যতই দুর্মূল্য হোক , সরকারি বেসরকারি বিভিন্ন সচেতনতা শিবিরে যতই আলোচিত হোক না কেনো, বৃক্ষ ছেদন যাদের কাজ তারা নির্বিকার। বিভিন্ন রকম সরকারি নিয়ম-নীতি শাস্তির ব্যবস্থা থাকলেও তা অত্যন্ত স্লথ। আর যার ফলেই বিভিন্ন এলাকায় মাটি মাফিয়াদের মতন গাছ মাফিয়াদেরও রমরমা ।
তবে সচেতন নাগরিক তো কিছু থাকেই! অতন্দ্র প্রহরীর মতন নিজেদের জীবনের ঝুঁকি নিয়েই তারা এগিয়ে আসে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করতে।
এইরকমই এক দুঃসাহসিক কাজ করলেন করিমপুর এক নম্বর ব্লকের জলঙ্গি বহরমপুর জাতীয় সড়কের পাশে বসবাসকারী কিছু মানুষজন। তারা জানান কিছুটা দূরে লক্ষীপাড়ার বাসিন্দা সমর বিশ্বাস এবং তার ছেলে সমীর সম্প্রতি পি ডব্লিউ ডির পাশে একটি জায়গা কেনে, তার জমি সংলগ্ন পি ডব্লিউ ডি’র জায়গায় থাকা বিরাট আকার দুটি গাছ কাটতে শুরু করে ভোর রাত থেকে। অন্ধকারে যখন পাখিরা প্রতীক্ষায় রয়েছে ভোর হওয়ার, ঠিক সেই সময় কাটা গাছ চালান করতে উদ্যত হয় গাছ মাফিয়া কর্তৃক পাঠানো বেশ কয়েকজন দুষ্কৃতী। এলাকার মানুষের গণ আন্দোলনের ফলে তারা বাধ্য হয় ওই গাছ ফেলে রেখে যেতে, যদিও তারা পলাতক। তবে এলাকাবাসী রা করিমপুর থানা বিডিও অফিস এবং ফরেস্ট ডিপার্টমেন্ট সহ বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সরকারি দপ্তরে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছেন। ঘটনাস্থলে এসে পৌঁছায় করিমপুর থানা পুলিশ। তারা এ বিষয়ে এখনও পর্যন্ত কাউকে আটক না করতে পারলেও, তদন্ত জোর কদমে চলছে বলেই জানা গেছে সূত্রের খবর অনুযায়ী। এলাকার মানুষ গাছ মাফিয়াদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি রেখেছেন।

