পরিবেশ বিনষ্ট করে গাছ কাটার, খবর প্রায়শই প্রকাশ হয়ে থাকে।

মলয় দে নদীয়া :-
পরিবেশ বিনষ্ট করে গাছ কাটার, খবর প্রায়শই প্রকাশ হয়ে থাকে।
তবে এমনও দৃষ্টান্ত থাকে যাদের অনুরোধ করলেই, অল্পতেই, বুঝে সিদ্ধান্ত বদল করেন। এমনই এক নজিরবিহীন দৃষ্টান্তের কথা তুলে ধরবো আজ।
বসন্তের শুরুতে পলাশ ফুলের এবং সেলফিতে সোশ্যাল মিডিয়া ভরে ওঠে। এই ফুল নিয়ে গানে কবিতায় মুখরিত হয়ে ওঠে সুশীল সমাজ।হুড়োহুড়ি পড়ে যায় বিভিন্ন ধরনের বসন্তঅনুষ্ঠানে পলাশ ফুল উপহার দিতে, পলাশফুল খুঁজে বের করতে অনুসন্ধান।
কিন্তু সেই গাছ যখন কাটা যায়, অনেকে হয়তো চোখে দেখেও, একে অন্যের এবং বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের ওপর দোষারোপ করেই এড়িয়ে যায়।
কিন্তু আজ শান্তিপুর নতুনহাট অঞ্চলে এইরকম এক পলাশ ফুল গাছ কাটার কথা শুনে প্রচলিত খবর করতে গিয়ে, সামান্য অনুরোধ, ব্যাস তাতেই সিদ্ধান্ত বদল ! নজির বিহীন দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন শান্তিপুরের এক ব্যবসায়ী শ্যামল সাহা ।
অতীতের তিক্ত অভিজ্ঞতায় ,ফোনাফুনি ছাড়া, খুব বেশি কাজ হয় না ,জেনেই এই অনুরোধের টোটকা। তবে এ বিষয়ে স্থানীয় বেশ কিছু ব্যবসায়ী এবং এলাকাবাসীর কৃতিত্ব ।
বসতবাড়ি এবং দোকান নির্মাণের উদ্দেশ্যে আজ থেকে দু বছর আগে একটি কাঁঠাল, নারকেল, এবং পলাশ গাছ সহ নতুনহাট অঞ্চলে একটি জমিটি নারকেল কাঁঠাল পলাশ ফুলগাছ ,সহ কিনেছিলেন ওই এলাকারই প্রসিদ্ধ মুদি দোকানের ব্যবসায়ী শ্যামল সাহা।
তবে বনদপ্তর এবং শান্তিপুর থানার কোনরকম অনুমতি ছাড়াই। সংখ্যায় অতি কম হলেও, শান্তিপুর সাহিত্য পরিষদের উদ্যোগে গাছ বাঁচাতে বড় গাছ মাটি সহ ব্যয় সাপেক্ষ স্থানান্তরকরণ, শান্তিপুর সূত্রাগড় অঞ্চলের প্রসিদ্ধ ব্যবসায়ী অরুণ ঘোষ একটি বেল গাছ তিন তলা ঘরের মধ্যেই রেখেছেন এমন দৃষ্টান্ত রয়েছে শান্তিপুরেই ।
আজ নতুন করে, আবারো এক দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন শ্যামল বাবু।
আপনাদের কাছে আমাদের সংবাদ মাধ্যমের অভিজ্ঞতা প্রকাশ করার উদ্দেশ্য, শুধুই প্রশাসন এবং অন্যান্য সরকারি দপ্তরের প্রতি কর্তব্যের গাফিলতি না তুলে, নিজেদের সদিচ্ছা এবং প্রয়াসও কখনো কখনো কাজে দেয়, তা বর্ণনা করতেই এই বিশেষ প্রতিবেদন।